Anti_Corruption_Commission_Bangladesh_(logo)ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি: মন্ত্রী, এমপি ও সচিবদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান আইওয়াশ নয়। নিরপেক্ষভাবেই তাদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে কাজ করছে দুদক এমনটি দাবি করেছেন সংস্থার সচিব  ফয়জুর রহমান।
সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেগুন বাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মাসিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমনটি দাবি করেন তিনি।
দুদক সচিব বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে যে সব মন্ত্রী-এমপি ও সচিবের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে নিরপেক্ষভাবে তাদের বিরুদ্ধে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিশেষ করে বিভিন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত যেসব প্রতিবেদন আছে এর ভিত্তিতে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। এরই মধ্যে অনেকের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বাকিদের ব্যাপারেও দ্রুত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতোক্ষণ পর্যন্ত আমরা কারো বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করছি না, ততোক্ষণ পর্যন্ত কারো নাম বলছি না। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শেষে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পর্যায়ক্রমে দুদক কার্যালয়ে তলব করা হবে।
দুদক সচিব জানান, জানুয়ারি মাসে ৬১৮ অভিযোগ পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই করে কমিশনের গৃহীত অভিযোগের সংখ্যা বর্তমানে ১১৮টি। ৪৭৬টি অভিযোগ সুনির্দিষ্ট তথ্য উপাত্ত না থাকায় বাতিল করা হয়েছে। এ্কই সঙ্গে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত দুর্নীতি সংক্রান্ত ৪৭টি প্রতিবেদনের মধ্যে ২০টি প্রতিবেদন অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয়েছে। এছাড়া সাবেক ও বর্তমান ১০ মন্ত্রী-এমপি ও সচিবের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে চলছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে আরো পাঁচজনের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই চলছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাচার করা অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনার চেষ্টা অব্যাহত আছে ও থাকবে।