111ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদল সভাপতি রোকনোজ্জামান সরকার রোকনকে গ্রেফতার করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ। তবে ‘নিরাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে গ্রেফতারকৃত অপর দু’ নেতা ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শহীদুল আমিন খসরু ও জেলা শ্রমিক দল সভাপতি আবু সাঈদকে রহস্যজনক কারণে ছেড়ে দিয়েছে। সোমবার দুপুরে ভালুকা উপজেলার মাষ্টারবাড়ি এলাকা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। দলীয় সূত্র জানায়, গত ৫ বছরে জেলা ছাত্রদল সভাপতি রোকনোজ্জামান সরকার রোকনের বিরুদ্ধে ২০ টি’রও অধিক মামলা রয়েছে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায়। গত ৩ মাস যাবত গ্রেফতার এড়াতে তিনি আত্মগোপন করেন এবং দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলেন অনুপস্থিত। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মোতালেব মিয়া জানান, গ্রেফতার এড়াতে ছাত্রদল সভাপতি রোকন কিছুদিন যাবত ভালুকায় আশ্রয় নিয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোকন ও দুই নেতা খসরু ও আবু সাঈদকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, কোন মামলা না থাকায় এবং নিরাপরাধ হওয়ায় তার সঙ্গে গ্রেফতারকৃত দু’ নেতা খসরু ও সাঈদকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এদিকে, গ্রেফতারের পরেও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও শ্রমিক দল সভাপতিকে রহস্যজনক কারণে পুলিশের ছেড়ে দেয়া নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা কানাঘুষা। গুঞ্জন রয়েছে, মোটা দাগের লেনদেনের কারণেই এ দু’নেতাকে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। অথচ রোকনের পাশাপাশি ওই দু’ নেতাকেও হন্যে হয়ে খুঁজছিল কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। রোকনের গ্রেফতারের বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সরোয়ার জানান, ‘পুলিশের খাতায় রোকন পলাতক আসামি। শুনেছি ভালুকা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।’