imagesসংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী লঙ্ঘন করায় এ সরকারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকা জেলা ছাত্রদল আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজউল কবীর পলের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু হানিফ, জাগপা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, কামরাঙ্গীর চর ছাত্রদল সভাপতি আব্দুল গাফফার প্রমুখ।
সংবিধানের ৭ এর ক ধারা উল্লেখ করে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, আইন অনুযায়ী এ সরকারে বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হতে পারে। তারা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী লঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেন, সংবিধানের ৭ এর ক ধারায় স্পষ্ট উল্লেখ আছে, কেউ যদি সংবিধান লঙ্ঘন করে তাহলে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হতে পারে। এজন্য এ সরকারের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আইন অনুযায়ী মামলা করা হবে।
সংবিধানের ৭ এর ক ধারায় উল্লেখ আছে, (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোনো অসাংবিধানিক পন্থায় – (ক) এই সংবিধান বা ইহার কোনো অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে; কিংবা (খ) এই সংবিধান বা ইহার কোনো বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে- তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, যারা জনগণের ম্যান্ডেট পায়নি তারা আইনপাশ করলে সে আইন বৈধ হবে না। সংসদের যে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তারা সবাই অবৈধ। নির্বাচন ছাড়া দেশে শাসন চলছে। গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় এটা সংসদ নয়। নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রাখেন, হাইকোর্ট রুল জারি করার পরও আপনারা তাদের কোন আইনে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনী আইন ভঙ্গের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছিল কিন্তু নির্বাচন কমিশন জাবাব দিতে পারেনি।