1যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট হুড সেনা ঘাঁটিতে সেনাসদস্য ইভান লোপেজ (৩৪) গুলি করে ৩ সেনাকে হত্যা ও অপর ১৬ জনকে আহত করার আগে তার সঙ্গে কারও তীব্র বাদানুবাদ হয়ে থাকতে পারে। হামলার এক পর্যায়ে ওই সেনা সদস্য নিজেও আত্মহত্যা করেন। মার্কিন সেনাবাহিনী বলছে, হামলার পেছনে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সম্ভাবনাটাই প্রবল। হয়তো কোন এক বা কয়েকজন সেনা সদস্যের সঙ্গে তার বাদানুবাদ হয়েছিল। এদিকে আহত ১৬ সেনা সদস্যের মধ্যে ৯ জনকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।  ফলে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ ঘটনার সঙ্গে কোন সন্ত্রাসী তৎপরতার যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মার্ক মিলে হামলাকারীকে প্রথম শনাক্ত করেন। পুয়ের্তো রিকোয় জন্মগ্রহণকারী ইভান যে ভীষণ নাজুক মানসিক অবস্থায় ছিলেন। সেনা কর্মকর্তারা জানান, ইরাকে দাযিত্ব পালন করেছিলেন ইভান ও সেখান পোস্ট-ট্রম্যাটিক স্ট্রেস ডিসর্ডারে ভুগছিলেন তিনি। মার্ক জানান, অন্য কোন সেনা বা কয়েকজন সেনা সদসস্যের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়ে থাকতে পারে। এ ব্যাপারে বেশ শক্ত ইঙ্গিত থাকলেও, তিনি সুনির্দিষ্টভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। এদিকে ২০০৯ সালে একই ধরনের একটি হামলার সময় গানস গ্যালোর নামে যে দোকান থেকে পিস্তলটি কেনা হয়েছিল, ওই একই দোকান থেকে ইভান লোপেজ তার পিস্তলটি কিনেছিলেন। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, দুটি ভবনে ইভান হামলা চালিয়েছিলেন। প্রথমে একটি ভবনে হামলা চালানোর পর একটি গাড়িতে চড়ে অপর একটি ভবনে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়েন তিনি। সেখানে সেনা সদস্যরা তাকে আটকাতে সক্ষম হন। কিন্তু,আটকের আগেই ইভান নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন। হামলাটি ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত চলে।