রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, ধরিয়ে দিন: শিক্ষামন্ত্রী

0
37

2দৈনিক বার্তা: শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ,ফাইল ছবিশিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। যারা এসব করছে, তাদের তিনি পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন,কয়েকদিন ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁস আলোচিত বিষয় হয়ে গেছে। পরিবেশ এমন হয়েছে, মনে হচ্ছে প্রতিদিনই প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে। আসলে গুজব ছড়িয়ে পড়ছে। সুবিধাভোগী কিছু  লোক প্রশ্ন বানিয়ে তা বিক্রি করে। এদের চিহ্নিত করতে পারলে ধরিয়ে  দেবেন। কারণ, তারা ছেলেমেয়েদের হয়রানি করছে।

বুধবার পদার্থবিজ্ঞান সৃজনশীলের প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে শিক্ষমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার পর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ তুললে তা প্রমাণ করা কঠিন। তার পরও আমরা বিষয়টি খতিয়ে  দেখছি। মন্ত্রী বলেন, এর আগে ১০ এপ্রিল ঢাকা  বোর্ডের ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির আজ সভা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সুবিধাভোগী কিছু  লোক প্রশ্ন বানিয়ে তা বিক্রি করে। এদের চিহ্নিত করতে পারলে ধরে পুলিশে দেবেন। কারণ তারা  ছেলে  মেয়ে এবং অভিভাবকদের হয়রানি করছে।চলতি বছর এইচএসসির ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ফাঁসের পর ওই পরীক্ষা স্থগিত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব  সোহরাব  হোসাইনকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

ঊৃহস্পতিবার ওই তদন্ত কমিটির সভায় ফরিদপুরের  জেলা প্রশাসককে ডাকা হয়েছিল জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে ফরিদপুর  থেকেই প্রথম খবর  পেয়েছিলাম। আমরা ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য  পেয়েছি। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলছি না। জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেয়া হবে।

প্রশ্ন ফাঁস  ঠেকাতে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসনসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে লিখিত চিঠি দেয়া হয়েছে বলেও জানান নাহিদ।এইচএসসির পদার্থ বিজ্ঞানের সৃজনশীল অংশের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠলেও তা সঠিক নয় বলে দাবি করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ তুললে তা প্রমাণ করা কঠিন। তবে আমরা বিষয়টি খতিয়ে  দেখব।

প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে  ক্ষোভের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জীবন-মরণ প্রশ্ন এটা,  কোনোভাবেই এটা বরদাস্ত করা হবে না। আমরা এ বিষয়ে সতর্ক ছিলাম, আছি এবং থাকব।