লংমার্চে তিস্তায় পানি আসবে না:সাহারা খাতুন

0
45

1দৈনিক বার্তা: লংমার্চ করে তিস্তার পানি আদায় করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছেন।

শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বীরউত্তম খাজা নিজামুদ্দিন মিলনাতয়নে ‘বাংলাদেশ নাগরিক  সেবা’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সাহারা খাতুন বলেন,  বিএনপি সব কিছুতে  হেরে এখন তিস্তার পানি নিয়ে নতুন  খেলা শুরু করেছে। তবে বিএনপির লংমার্চও ব্যর্থ হয়েছে। ২০০টি গাড়ি নিয়ে লংমার্চ শুরু করলেও পথে পথে তাদের অনেক  নেতাকর্মী পালিয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৬টি গাড়ি এবং কয়েকশ’লোক লংমার্চে ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন,  বাংলার মাটিতে একজন যুদ্ধাপরাধী বেঁচে থাকা পর্যন্ত বিচার অব্যাহত থাকবে। কোনো অপশক্তি এ বিচার বন্ধ করতে পারবে না।

সাহারা খাতুন বলেন, বিএনপি ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতিতে সফল হতে না  পেরে, তিস্তা অভিমুখে লংমার্চের নতুন  কৌশল নিয়েছে। কিন্তু এটাতেও তারা সফল হয়নি।ইতিহাস বিকৃত করা যায় না। আর যারা এগুলো করার চেষ্টা করছে তাদের আসল পরিচয় চিহ্নিত করতে পারলেই আমরা বুঝতে পারব তাদের গুরুত্ব  দেবার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা?

তিনি   বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব অর্জন  শেখ হাসিনার সরকারের আমলে হয়েছে। অন্য সরকারের আমলে  কোনো উন্নয়নই হয়নি। গঙ্গা পানি চুক্তি হয়েছে, সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি হয়েছে। বিএনপি ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতিতে সফল না হয়ে, এখন তিস্তা অভিমুখে লংমার্চের নামে নতুন  কৌশল নিয়েছে। অথচ ক্ষমতায় থাকতে এটা নিয়ে তারা কিছুই করেনি।

তিনি আরো  বলেন, বাংলাদশের জন্মলগ্ন  থেকেই যারা এ দেশকে বিশ্বাস করেনি, তাদের সমালোচনা করে গুরুত্ব  দেওয়ার কিছু নেই। এখন কেউ কিছু বললেই বাংলার মানুষ লাফ দিয়ে  সেটা এখন আর খায় না।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে সাবেক মন্ত্রী বলেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকতে তিস্তা নিয়ে কোনো কিছুই করেননি। আজকে যখন আওয়ামী লীগ তিস্তা নিয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কথা বলছে তখনই তারা লংমার্চ কর্মসূচি দিযেছে।এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারতের নির্বাচনের পরে নতুন সরকার আসলে তাদের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা করে তিস্তা সমস্যার সমাধান হবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ছিলেন-কুয়েত শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলাদেশ নাগরিক সেবার সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম সম্রাট প্রমুখ।