আগামী বাজেট হবে আড়াইশ হাজার কোটি টাকার:অর্থমন্ত্রী

0
41

1দৈনিক বার্তা : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জানিয়েছেন,এবার আড়াইশ হাজার কোটি টাকার টাকার বাজেট হবে। এটা বিশাল বাজেট আমাদের দেশের জন্য। ৫ বছর আগে বাজেটের আকার ৯২ থেকে ৯৩ হাজার কোটি টাকারও কম ছিল।রোববার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষ-২ এ অনুষ্ঠিত সংসদীয় ও স্থায়ী কমিটির সভাপতিদের সঙ্গে প্রাক-বাজেটের চলমান আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট হলো একটি প্রাক্কলন। চূড়ান্ত হওয়ার সময় কমবেশি হতে হতে পারে।আরেকটি বিষয় বলে দেই সেটা হলো রেভিনিউ বাজেট বাড়তেই থাকবে। আমি মনে করি শেষ বছরে ৩ ভাগ জিডিপি বাড়িয়েছি আগামীতে আমরা আরো বেশি রাখতে চাই।ঢাকা শহরে কোনো শিল্প-কারখানা করা যাবে না বলে সাফ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

আগামী বাজেটে মানবসম্পদ উন্নয়ন হবে আইকন নাম্বার ওয়ান উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর কারণ হচ্ছে এর আগে বিদ্যুত জ্বালানি দিয়েছিলাম।কারণ এটি ক্রিটিক্যাল পর্যায়ে ছিল। এখন এই খাতে এই অবস্থা নেই। তাই আমরা মানব সম্পদ উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেব। আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার প্রসার ও কোয়ালিটিও হয়েছে। কিন্তু সেকেন্ডারি শিক্ষা দুর্বল।তাই এ বিষয়টিতে জোর দেওয়া হবে।অর্থমন্ত্রী বলেন, শিল্প-কারখানা করতে হলে ঢাকা শহরের বাইরে করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহরের বাইরে শিল্প-কারখানা স্থাপনে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।আর ঢাকায় শিল্প-কারখানা করার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হবে।অর্থপাচার বন্ধ করার উপায় জানা নেই;এজন্য হতাশা জানিয়ে সবার কাছে পরামর্শ চাইলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

বৈঠকে স্থায়ী কমিটির নানা সমস্যা তুলে ধরেন চেয়ারম্যানরা। করের আওতা বাড়ানো, বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরিসহ নানা বিষয় উঠে আসে আলোচনায়। একদিকে জনবল সংকট অন্যদিকে করের আওতা বাড়াতে গিয়ে নানামুখী সমস্যার মুখে পড়তে হয় বলে হতাশা জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। পরে অর্থমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ের জবাব দিতে গিয়ে বলেন, এবারের বাজেটে বিশেষ দৃষ্টি থাকবে বিনিয়োগের দিকে। এছাড়া, বিদ্যুৎ, জ্বালানির চেয়েও বেশি অগ্রাধিকার পাবে মানব সম্পদ উন্নয়ন।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফসারুল আমিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবেক শ্রম প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ড. আতিউর রহমান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর) চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।