Jhenidah BNP Leader Killed_01টিপু সুলতান/দৈনিক বার্তা: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সহ- সভাপতি ইসমাইল হোসেন হত্যার ৪৮ ঘন্টা পার হলেও গতকাল বুধবার সন্ধা পর্যন্ত পর্ষন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি। তবে থানা পুলিশ স্ব উদ্যোগে নিহতের বাড়ীতে গেলেও পরিবার জানিয়েছে সন্ধ্যার আগে তারা থানায় এসে মামলা করবে। গত মঙ্গলবার সকালে উপজেলার চাপালী কুটিপাড়া ব্রীজের নিকট একই গ্রামের সন্ত্রাসী শাজাহান ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে ইসমাইলকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরই জের ধরে বিকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা মুল হত্যাকারী আওয়ামীলীগের কর্মী শাহাজান সহ তার দু’ভাই আজিজার, আতিয়ার ও প্রতিবেশি আব্বাস নামে ৪ জনের বাড়ি সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দিয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতের বাড়িতে পুলিশের দুজন অফিসার পাঠালে পরিবার তাদের জানিয়েছে সন্ধ্যার আগে তারা থানায় এসে মামলা করবে। এদিকে ইসমাইল হত্যাকান্ডে স্থানীয় বিএনপি বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষনা দেয়। কিন্তু গতকাল বুধবার থানা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক হামিদুল ইসলাম এক সাক্ষরীত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন আসামীদের গ্রেফতারের ব্যাপারে  পুলিশ প্রসাশন  সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার হরতাল প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
ইসমাইল খুন হয় সামাজিক কোন্দলের কয়েকটি ঘটনার জেরধরে। তার নিজ গ্রামে একটি মহিলা সংক্রান্ত শালিশকে কেন্দ্র করে হত্যকারিদের সাথে প্রায় ৮ মাস ধরে কোন্দল চলে আসছিল। উক্ত সালিশ সভায় ইসমাইল হোসেন হত্যাকারি শাহাজান , আজিজার, আতিয়ারকে গ্রাম্য শালিশে একঘরে করে রাখে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসমাইলের সাথে তাদের মনোমালিন্য চলছিল। এ ছাড়া স্থানীয় মানুঘোষের জমি বিক্রীর সময় হত্যাকারিদেও সাথে উক্তজমি নিয়ে বিরোধ বাধে। শাহাজান সহ কয়েকজন উক্ত জমি কিনতে চাইলে ইসমাইল ও তার সঙ্গিরা বাধাদেয়।সে সময় ইসমাইলের ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাক কে হত্যার জন্য কয়েকজন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রদিয়ে ধাওয়া করে। সে পালিযে রক্ষা পায়। এদিকে হত্যাকারি মুল কিলার শাহাজান মঙ্গলবার বিকালে ভারতে পালিয়েছে বলে একটি সুত্র জানিয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জানান, আসামিদের আটকের জোর ব্যবস্থা চলছে এবং খুন হওয়া ইসমাইলের পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।