1দৈনিক বার্তাঃ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, খালেদা জিয়ার বক্তব্যে সরকার ভীত নয়। বিএনপির আন্দোলনের শক্তি জানা আছে।শনিবার দুপুরে কারওয়ান বাজারের বাংলাদেশ  ট্রেডিং করপোরেশন ভবনে তাঁর নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হানিফ এসব কথা বলেন।

জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী  ফোরামের একপ প্রতিবাদ সমাবেশে বিএনপির  চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অবিলম্বে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন  দেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেছেন, বেশি  দেরি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সরকার এখন সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত। মানুষ যেমন র‌্যাবের নাম শুনলে ভয় পায়,  তেমনি বিএনপির সমাবেশের নাম শুনলে সরকার ভয় পায়। খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ উপরিউক্ত মন্তব্য করেন।

বিচারব্যবস্থা ধ্বংস করতেই সুপ্রিম  কোর্ট প্রাঙ্গণে সমাবেশ করতে চেয়েছিলেন দাবি করে হানিফ বলেন, নিজ ও পরিবারের সদস্যের দুর্নীতির অভিযোগ বিচারাধীন থাকায় বিচার বিভাগের ওপর তাঁর এই  ক্ষোভ।তিনি বলেন, খালেদা জিয়া আইনের শাসনের প্রতি বিশ্বাসী নন। অর্থ চোরাচালান,খুন ও অর্থপাচারসহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত থাকার ফলে বিএনপির  চেয়ারপারসন ও তার দলের লোকজন বিচার বিভাগের প্রতি ক্ষুব্ধ। তাই বিচার বিভাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তারা সুপ্রিম  কোর্ট চত্বরে সমাবেশ করতে গিয়েছিল।

হানিফ বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই মাঠে নামতে পারছে না। তাই তারা আন্দোলনের না মেনে সরকারকে বারবার সময় বেঁধে দিচ্ছে। আন্দোলন করার মতো সাংগঠনিক শক্তি বিএনপির  নেই।আওয়ামী লীগের এ  বলেন, খালেদা জিয়াকে আর বাংলার মানুষের সেবা করতে  দেয়া হবে না। কারণ তিনি ক্ষমতায় এলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে বিদেশে পাচার করেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের  নেতাকর্মীদের ঐকব্যদ্ধ হতে হবে, যাতে আর  কোনদিন জঙ্গি ও সন্ত্রাসের নেত্রী খালেদা জিয়া দেশের নেতৃত্ব না আসতে পারে।বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান মুচকেলা দিয়ে বিদেশে  গেছেন। তাকে বলব সাহস থাকলে  দেশে ফিরে আইনের  মোকাবেলা করুন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর অনেকবার তাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে। আল্লাহর রহমতে তিনি বারবার  বেঁচে গেছেন। এখনও তিনি শঙ্কামুক্ত নন। যারা বাংলাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের পোষেণ তারাই  শেখ হাসিনাকে বারবার হত্যার চেষ্টা করছে।

নারায়ণগঞ্জ, ফেনী, লক্ষ্মীপুরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে যত বড় মাপের  নেতাই জড়িত হোক না  কেন, তাঁকে ছাড়  দেওয়া হবে না মন্তব্য করে হানিফ বলেন, অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীকে  গ্রেপ্তার করতে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।সে অনুযায়ী প্রশাসন কাজ করছে।