01দৈনিক বার্তাঃ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের (আইসিটি) উন্নয়নের মাধ্যমে দেশ থেকে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।বুধবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৪ এর প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে তিনি একথা বলেন।আগামী ৪-৭ জুন বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠান হবে। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডাক টেলিযোগাযোগ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী প্রমুখ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইসিটি লাইফস্টাইল বদলে দিয়েছে। এখন আইসিটি সবার প্রিয় খাত। গত নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। যেভাবে দেশের আইসিটি খাতের উন্নয়ন হয়েছে তার জন্য আমরা গর্ববোধ করি।

আইসিটি খাতে ভ্যাট কমানো প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব ধরনের ভ্যালু অ্যাডেড সিস্টেমে ১৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে। এটি আপাতত কমানো সম্ভব নয়। ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে আইসিটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

আগামী অর্থবছরের (২০১৪-১৫) বাজেটে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে কর অবকাশ সুবিধা বহাল থাকলে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) থাকছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এ সময় ভ্যাট আইনকে একটি ভালো আইন বলে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে আগামী বাজেটে কর অবকাশ সুবিধা থাকছে। তবে ভ্যাট আরোপের বিষয়টি থেকে অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে না। এটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী বছর নাগাদ ভ্যাট আইন পুরোপুরি কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হবে।

কথা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী মুহিত বলেন, ভিশন- ২০২১ কে সামনে রেখে তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক খাত হিসেকে বিবেচনা করা হচ্ছে। আর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক বা এক নম্বর খাত হিসেবে বস্ত্র খাতকে ( টেক্সটাইল) ধরা হচ্ছে। কেননা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৃদ্ধিতে এ খাতটি বেশ সহায়ক।

এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়নের ধারবাহিকতা বজায় রাখা এবং সব পর্যায়ে দুর্নীতি কমানো সম্ভব বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী।