প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিচারে প্রভাব ফেলবে না: আইনমন্ত্রী

0
78

imagesদৈনিকবার্তা-২৩ আগস্ট: নিজস্ব সংবাদদাতা: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জিয়া পরিবারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিচারে প্রভাব ফেলবে না৷শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল’-এর আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন৷

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সরকারের আমলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সরকারের ওপরই পড়ে৷ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তত্কালীন সরকারের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক৷ মামলার অন্যতম আসামি তারেক রহমান৷ তাদের (জিয়া পরিবার) যদি এ হামলায় জড়িত না থাকার কোনো বক্তব্য থাকত, তবে তাদের উচিত ছিল বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করা৷

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেছিলেন, ওই হামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান জড়িত ছিলেন৷ তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে যেভাবে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন, ঠিক তেমনি ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী,তাঁর ছেলে তারেক রহমান এবং ওই সময়ের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সরাসরি জড়িত ছিলেন৷

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তা এ ঘটনার ব্যাপকতা সম্পর্কে বলেছেন৷ এ হামলার ঘটনার পরও তত্কালীন সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি৷ এভাবে বিশ্লেষণ করলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিচারে কোনো প্রভাব ফেলবে না৷

অপর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায়ও জিয়া জড়িত ছিলেন৷ তা মামলার যুক্তিতর্কে প্রমাণিত৷ জিয়া মামলা শুরুর আগেই নিহত হয়েছেন, তাই তাঁর আসামি হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না৷আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার এড়াতে পারেনা

আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তত্কালীন চারদলীয় জোট সরকারের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক৷ এ ঘটনায় তারেক রহমান জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তারা ক্ষমতায় থেকে কেন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশ্ন তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, যদি তারেক জড়িত না থাকেন তাহলে নির্দোষ প্রমাণে কেন বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন না? তিনি বলেন, যে কোনো সরকারের আমলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় ওই সময়ের সরকারের ওপরই পড়ে৷

‘এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল’-এর আঞ্চলিক সম্মেলনের দুইদিন ব্যাপী অনুষ্টানে আনত্মজর্াতিক মানবাধিকার আইন, আনত্মজর্াতিক মানবিক আইন, শরণাথর্ী ও অভিবাসী আইন, আনত্মজর্াতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আইন এবং আনত্মজর্াতিক পরিবেশ আইনের উপর আলোচনা হচ্ছে৷

এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল এ্যান্ড ফোরামের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. সুরাকিআর্ট সাথিরাথাই এর সভাপতি্বতে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আইনমন্ত্রী,বিশিস্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, প্রফেসর ড.বোরহান উদ্দিন খান প্রমুখ৷ এ সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, চীন ,জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড. ইন্দোনেশিয়া, দৰিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা, ভারত, পাকিসত্মান, নেপাল, গ্রীস, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ইরানের প্রতিনিধিরা রয়েছেন৷ এছাড়াও রয়েছেন আনত্মর্জাতিক আদালতের বিচারপতি, সিনিয়র আইনজীবী ,শিক্ষাবিদ ও গবেষক৷
নিজস্ব সংবাদদাতা: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় জিয়া পরিবারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিচারে প্রভাব ফেলবে না৷শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল’-এর আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন৷

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সরকারের আমলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় সরকারের ওপরই পড়ে৷ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তত্কালীন সরকারের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক৷ মামলার অন্যতম আসামি তারেক রহমান৷ তাদের (জিয়া পরিবার) যদি এ হামলায় জড়িত না থাকার কোনো বক্তব্য থাকত, তবে তাদের উচিত ছিল বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করা৷

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেছিলেন, ওই হামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান জড়িত ছিলেন৷ তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে যেভাবে জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন, ঠিক তেমনি ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী,তাঁর ছেলে তারেক রহমান এবং ওই সময়ের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সরাসরি জড়িত ছিলেন৷

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তা এ ঘটনার ব্যাপকতা সম্পর্কে বলেছেন৷ এ হামলার ঘটনার পরও তত্কালীন সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি৷ এভাবে বিশ্লেষণ করলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিচারে কোনো প্রভাব ফেলবে না৷

অপর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায়ও জিয়া জড়িত ছিলেন৷ তা মামলার যুক্তিতর্কে প্রমাণিত৷ জিয়া মামলা শুরুর আগেই নিহত হয়েছেন, তাই তাঁর আসামি হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না৷আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার এড়াতে পারেনা

আইনমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তত্কালীন চারদলীয় জোট সরকারের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক৷ এ ঘটনায় তারেক রহমান জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তারা ক্ষমতায় থেকে কেন ব্যবস্থা নেয়নি প্রশ্ন তুলে আইনমন্ত্রী বলেন, যদি তারেক জড়িত না থাকেন তাহলে নির্দোষ প্রমাণে কেন বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন না? তিনি বলেন, যে কোনো সরকারের আমলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় ওই সময়ের সরকারের ওপরই পড়ে৷

‘এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল’-এর আঞ্চলিক সম্মেলনের দুইদিন ব্যাপী অনুষ্টানে আনত্মজর্াতিক মানবাধিকার আইন, আনত্মজর্াতিক মানবিক আইন, শরণাথর্ী ও অভিবাসী আইন, আনত্মজর্াতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আইন এবং আনত্মজর্াতিক পরিবেশ আইনের উপর আলোচনা হচ্ছে৷

এশিয়ান সোসাইটি অব ইন্টারন্যাশনাল ল এ্যান্ড ফোরামের সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. সুরাকিআর্ট সাথিরাথাই এর সভাপতি্বতে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন আইনমন্ত্রী,বিশিস্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, প্রফেসর ড.বোরহান উদ্দিন খান প্রমুখ৷ এ সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, চীন ,জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড. ইন্দোনেশিয়া, দৰিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা, ভারত, পাকিসত্মান, নেপাল, গ্রীস, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, ইরানের প্রতিনিধিরা রয়েছেন৷ এছাড়াও রয়েছেন আনত্মর্জাতিক আদালতের বিচারপতি, সিনিয়র আইনজীবী ,শিক্ষাবিদ ও গবেষক৷