সপ্তাহে ৬ দিন চলবে মৈত্রী এঙ্প্রেস: মুজিবুল

mozibul

দৈনিকবার্তা-ঢাকা, ৫ জানুয়ারি: রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, যাত্রী চাহিদার কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মতিতে মৈত্রী এঙ্প্রেস ট্রেন সপ্তাহে ৪ দিনের পরিবর্তে ৬ দিনই চলাচল করবে ৷তিনি সোমবার সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে ,মৈত্রী এঙ্প্রেস ট্রেনের অতিরিক্ত একটি ট্রিপ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন৷উদ্বোধনকালে মন্ত্রী জানান,বর্তমান সরকার জণগনের সেবায় আনত্মরিকভাবে কাজ করে যাচেছ৷ রেলের উন্নয়নে অনেক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে৷ এ প্রকল্পগুলো বাসত্মবায়িত হলে এ খাতের আমূল পরিবর্তন ঘটবে৷

রেলপথ মন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেনে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সার্ভিস বাড়ানো হল৷ এতে আরামে ও নিরাপদে যাত্রীসাধারণ দুই দেশের মধ্যে চলাচল করতে পারবে বলে তিনি উলেস্নখ করেন৷উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৪ই এপ্রিল, সোমবার আনত্মঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন ‘মৈত্রী এঙ্প্রেস’ চলাচল শুরম্ন হয়৷ বাংলাদেশী রেক ঢাকা ছাড়ে- শুক্রবার, কলকাতা ছাড়ে – শনিবার৷ ভারতীয় রেক কলকাতা ছাড়ে- মঙ্গলবার, ঢাকা ছাড়ে- বুধবার৷ কলকাতা ছাড়ে- রোববার, ঢাকা ছাড়ে- সোমবার৷ বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে৷

ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে কলকাতার প্রকৃত দূরত্ব ৩৯৬ কিলোমিটার এবং ভাড়া আদায়যোগ্য দূরত্ব ৫৩৮ কিলোমিটার৷ ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট-দর্শনার দূরত্ব ২৭৬ কিলোমিটার৷ দর্শনা-কলকাতা ১২০ কিলোমিটার৷ ঢাকা-দর্শনা দূরত্ব ২৮৮ কিলোমিটার৷মৈত্রী এঙ্প্রেস ট্রেনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ( কেবিন সিট) শ্রেনীর ভাড়া ২০ ডলার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (চেয়ার) শ্রেনীর ভাড়া ১২ ডলার এবং শোভন চেয়ার শ্রেণীর ভাড়া ৮ ডলার৷ পাঁচ বছর পর্যনত্ম শিশুরা যে কোন শ্রেণীতে শতকরা ৫০ ভাগ ভাড়ায় ট্রেন ভ্রমনের সুযোগ পেয়ে থাকে৷

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর নয়াদিলিস্নতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধানত্মের প্রেৰিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং ভারতীয় রেলওয়ের মধ্যে গত ২৬ ও ২৭, অক্টোবর ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত সভায় বিদ্যমান ‘মৈত্রী এঙ্প্রেস’ ট্রেনের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে অতিরিক্ত একটি রাউন্ড ট্রিপ বাড়ানোর সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয়৷ আনত্মঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ৪ জানুয়ারী রোববার ভারত থেকে মৈত্রী এঙ্প্রেস’ ট্রেনের বাড়তি ট্রিপ চালু করা হয় এবং আজ ৫ জানুয়ারী সোমবার বাংলাদেশ অংশে এর উদ্বোধন করা হয়৷

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে রেলপথ সচিব মো. মনসুর আলী সিকদার , রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেনসহ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন৷