প্রেসক্লাবে দিনভর উত্তেজনা: অবশেষে গ্রেপ্তার ফখরুল

Press

দৈনিকবার্তা-ঢাকা, ৬ জানুয়ারি: সংবাদ সম্মেলন শেষে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে বের হওয়ার পরই গ্রেপ্তার হলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ বুধবার মির্জা ফখরুলকে আদালতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার (গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ) মাসুদুর রহমানের ভাষ্য, বিএনপির নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে৷ তাঁর জানামতে ৬০টিরও বেশি মামলা রয়েছে৷ কোন মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না৷ আদালতে নেওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে৷বিকেলে সংবাদ সম্মেলন শেষে মির্জা ফখরুল গ্রেসক্লাব থেকে বের হন৷ ফটক পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশকে প্রস্তুত হতে দেখা যায়৷ ফটকের সামনে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যান রাখা ছিল৷ মির্জা ফখরুল ব্যক্তিগত একটি গাড়িতে ওঠেন৷ পরে সেখানে ডিবির এক সদস্য ওঠেন৷ এরপর গাড়িটি নিয়ে যাওয়া হয়৷ গাড়ির পেছনে পুলিশের প্রিজন ভ্যান ও বেশ কয়েকটি গাড়ি ছিল৷

বিএনপির নেতা ফখরুল প্রেসক্লাবের ফটকে আসার সময় আওয়ামীপন্থী সাংবাদিকদের একটি মিছিল থেকে ‘ধর ধর ফখরুলরে ধর’ বলে স্লোগান দেওয়া হতে থাকে৷ মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়৷এর আগে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি সারা রাত জাতীয় প্রেসক্লাবে ছিলেন৷এ সময় তিনি সাংবাদিকদের ঐতিহ্যগত আতিথেয়তা গ্রহণ করেছেন৷ এ জন্য তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান৷ তিনি আরও বলেন, দেশ কারাগারে পরিণত হয়েছে৷ অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যোগ দেওয়ার

৫ জানুয়ারির রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যে সোমবার থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবে অবস্থান করছিলেন তিনি৷ মঙ্গলবার বিকালে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়৷সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ঢাকার উপপুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান৷

সমপ্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মামলায় ফখরুলকেও আসামি করে পুলিশ৷ তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা অর্ধশতাধিক৷

নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে পুলিশের তালা এবং গুলশানের কার্যালয়ে খালেদা অবরুদ্ধ থাকার মধ্যে সোমবার গণতন্ত্র হত্যা দিবসে’ বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের সমাবেশে যোগ দিতে প্রেসক্লাবে ঢোকেন ফখরুল৷

৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বছর পূর্তিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘাতের মধ্যে সেখানেই ছিলেন তিনি৷ তার অবস্থানকে কেন্দ্র করে গ্রেসক্লাবে সোমবার বিকালে একদফা মারামারিও হয়৷

এরপর ফখরুলকে বের করে দিতে আওয়ামী লীগ সমর্থক সাংবাদিকদের প্রেসক্লাবে অবস্থান কর্মসূচির মধ্যে মঙ্গলবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে ওেসখানে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি৷

সেখানে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত নিরাপত্তাজনিত কারণে রাতে আমি জাতীয় প্রেসক্লাবে ছিলাম৷ ক্লাবের ঐতিহ্যগত আতিথেয়তার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি৷জনগণকে বলব, আসুন নিজের ভোটের অধিকার, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ গ্রহণ করি৷

সংবাদ সম্মেলনের কয়েক মিনিট পর ফখরুল নিজের গাড়িতে করে প্রেসক্লাব থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন৷ কিন্তু ফটকে পুলিশ তার গাড়িটি আটকে দেয়৷ সেখানে গোয়েন্দা পুলিশের একটি মাইক্রোবাস, একটি প্রিজন ভ্যান ও একটি পুলিশ ভ্যানও ছিল৷

বেশ কিছুক্ষণ ফটকে আটকে রাখার এক পর্যায়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের গাড়িতেই উঠে পড়েন৷

তারপর সোয়া ৪টার দিকে গাড়িটি মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ের দিকে রওনা হয়৷ সাড়ে ৪টায় সেখানে ঢোকানো হয় ফখরুলের গাড়িটি৷ যাওয়ার সময় তার গাড়ির সামনে ছিল ডিবির মাইক্রোবাসটি, পেছন পেছন যায় প্রিজন ভ্যান ও পুলিশ ভ্যানটি৷

ডিবির এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে৷ তাকে আটকের বিষয়ে কিছু সময়ের মধ্যে বক্তব্য নিয়ে হাজির হবেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা৷

উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ফখরুলকে বুধবার আদালতে হাজির করা হবে৷

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবে রাত কাটিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে একটি সাংবাদ সম্মেলন করে প্রেসক্লাব ভবন থেকে বের হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷

তাকে ঘিরে ছিলেন বিএনপি-জামায়াতপন্থি সাংবাদিক নেতারাও৷ কিন্তু এরই ফাঁকে প্রেসক্লাব চত্বরেই গাড়িতে চরে বসেন ডিবি কর্মকর্তারা৷

এরপর ভিড় ঠেলে এগিয়ে যায় গাড়িটি৷ সেটি দ্রুতই প্রেসক্লাব থেকে হাইকোর্ট ভবনের সামনে হয়ে মত্‍স্য ভবন মোড় অতিক্রম করে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে যায়৷ পেছনে ছুটতে থাকে পুলিশের একটি বড় ভ্যান৷

৫ জানুয়ারির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তাপের মধ্যে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে সোমবার রাতে পল্টন থানায় দুটি মামলা হয়েছে৷ এদুটিতে ফখরুলকেও আসামি করা হয়েছে বলে থানার ওসি মোরশেদ আলম জানিয়েছেন৷

ফখরুলকে আটকের আগে থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ও সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান কর্মসূচি চলছিল৷

প্রেসক্লাবকে একটি রাজনৈকিত দলের আস্তানা করা হয়েছে৷ যার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (০৫ জানুয়ারি) পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের নামে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে সেখানে বক্তব্য রাখা হয়৷ নানা ধরনের স্লোগান দিয়ে সেখানে সৃষ্টি করা হয়েছে উত্তেজনা৷

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিক নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী একথা বলেন৷সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, যেহেতু প্রেসক্লাবের কমিটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের আশ্রয় দিয়েছেন, সেহেতু তাদের আর ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই৷এসময় প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটির সদস্যদের পদত্যাগ দাবি জানান তিনি৷

প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আমরা কয়েক দিন আগে কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যাতে প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন না হয়৷ রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ বন্ধের বিশেষ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছিল৷ কিন্তু সোমবারেই পেশাজীবী সংগঠনের নামে রাজনৈতিক দল নেতারা সেখানে বক্তব্য রেখে পরিবেশ নষ্ট করেছেন৷বিএনপি নেতাকে পুলিশ আটক করার সময়ও সরকার সমর্থকরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছিল সেখানে৷এসময় সময় জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে মুখরিত হয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ৷সেই সঙ্গে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাকর্মীরা খালেদার আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগানে মির্জা ফখরুলকে হুমকি দেন৷সাংবাদিক ও জনতার ভিড় ঠেলে মির্জা ফখরুল গাড়িতে উঠলে পরে তাকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়৷

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি শওকত মাহমুদ বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিকেরা বরাবরই প্রেসক্লাবে আশ্রয় নিয়েছেন৷ প্রেসক্লাবের দরজা তাঁদের জন্য খোলা ছিল৷ এটা নিয়ে কেউ কটাক্ষ করেননি৷ শওকত মাহমুদ আরও বলেন, মির্জা ফখরুল প্রেসক্লাব থেকে বের হতে চেয়েছিলেন৷ কিন্তু সাংবাদিকেরা তাঁকে যেতে দেননি৷ কারণ বাইরে গেলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতো৷

এরআগে চার মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷ মঙ্গলবার সকালে তার পক্ষে এ জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা৷

দুপুরের পর বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এ আবেদনের শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন৷ চারটি মামলার মধ্যে তিনটি পল্টন থানায় আর একটি মতিঝিল থানায় দায়ের করা হয়৷

ফখরুল ছাড়াও এদিন হাইকোর্টে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার তিন মামলা এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানের তিন মামলারও জামিন আবেদন করা হয়েছে হাইকোর্টে৷

বিএনপির আইনজীবী সূত্র আরও জানিয়েছে, জামিনের আবেদনের সময় আবেদনকারীর আদালতে উপস্থিত থাকার নিয়ম থাকলেও যেহেতু ফখরুল প্রেসক্লাবে ‘অবরুদ্ধ’ হয়ে আছেন তাই তাকে আইনি সুরক্ষা দিয়ে হাইকোর্টে নিয়ে আসার জন্য আবেদন করতে পারেন তার আইনজীবীরা৷এদিকে,জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেফতারে তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া৷একই সঙ্গে মির্জা ফখরুলসহ সব বন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি৷মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া এ দাবি জানান৷

বিবৃতিতে বেগম জিয়া বলেন, আমাকে আমার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবরুদ্ধ রেখে বর্তমান অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকার দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবকে গ্রেফতারসহ দেশব্যাপী একই কায়দায় গ্রেফতারি অভিযানের মহৌত্‍সবে মেতে উঠেছে৷

তিনি অভিযোগ করেন, কেবল বিরোধী মতাদর্শের নেতা-কর্মীই নয় বরং সাধারণ মানুষও এখন পুলিশি আতঙ্কে দিন যাপন করছেন৷ বর্তমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের প্রতি জনগণের ন্যূনতম সমর্থন নেই৷ আর এ জন্য তারা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের ওপর নির্যাতন নিপীড়নের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে৷ দেশের জনগণকে ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের সব অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান খালেদা৷বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, অবিলম্বে বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ইতোপূর্বে গ্রেফতার হওয়া সব নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি৷

অন্যদিকে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে যেভাবে আটক করা হয়েছে সেটাকে ন্যাক্কারজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন দলের দফতরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ৷ একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, এভাবে আটকের ঘটনা ইতিহাসের ভয়ংকর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে৷

ফখরুলকে আটকের পর মঙ্গলবার বিকেলে সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এ কথা বলেন৷ রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিত্‍সার জন্য ভর্তি হওয়া এ বিএনপি নেতা দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের এভাবে আটকের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে তার মুক্তি দাবি করেন৷

ক্ষোভপ্রকাশ করে রিজভী বলেন,সাংবাদিকেরা হচ্ছেন জাতির বিবেক৷কিন্তু আজ প্রেসক্লাবে আওয়ামীপন্থি সাংবাদিকরা ফখরুলের সঙ্গে যেভাবে অপমান ও ন্যাক্কারজনক আচরণ করেছেন তা সাংবাদিকদের গৌরব ইতিহাসের কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে৷

এছাড়া,সারাদেশে অবরোধ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা- মামলা ও তাদের গ্রেফতারের নিন্দা জানান রিজভী৷ তিনি মির্জা ফখরুলসহ সারাদেশের নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির জোর দাবি জানান৷