doinikbarta_nasim

দৈনিকবার্তা-ঢাকা, ০৮ জুলাই ২০১৫: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বহিরাগত দালালচক্রের দৌরাত্মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে৷তিনি বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন৷মন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সিন্ডিকেটের স্বেচ্ছাচারিতা ও বহিরাগত দালালদের দৌরাত্মের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করছে এবং এ ধরনের দালালচক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে৷ এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে চলতি বছরের ৪ জুনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে৷

নাসিম বলেন, হাসপাতাল,জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তত্ত্বাবধায়ক/ ব্যবস্থাপক কর্মকর্তাগণ তাদের আওতাধীন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে বহিরাগত দালাল প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন এবং এ ধরনের অপতত্‍পরতা পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়বদ্ধ থাকবেন৷স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্‍সা সহজলভ্য বিবেচনায় সারা দেশ থেকেই রোগীরা সেখানে ভিড় করে থাকেন৷ ফলে শয্যা সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি রোগীকে সেবা প্রদান করতে হয়৷ তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-২ নামে ৬শ’ শয্যাবিশিষ্ট আলাদা ভবন নির্মাণপূর্বক ঢাকা মেডিকেল কলেজের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করে ২ হাজার ৪শ’ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে৷ শয্যার অতিরিক্ত রোগী ও তাদের স্বজনদের চাপে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখা কষ্টকর হয়ে পড়ে৷মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং হাসপাতাল কতর্ৃপক্ষ হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ সংরক্ষণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সারা দেশে ৪ হাজার ১৫২টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং বারডেম হাসপাতালসহ ৭০টি ডায়াবেটিকস সেন্টার রয়েছে৷তিনি বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন৷মন্ত্রী বলেন, এ সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য সম্বলিত বিবরণী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে িি.িযংসফমযং-নফ.ড়ত্‍ম দেয়া রয়েছে৷ যে কোন সময়ে যে কোন নাগরিক ওই বিরবণী সহজেই দেখতে পারবেন৷স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি পর্যায়ে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার মান নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কৌশলপত্র ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক প্লানিং অন কোয়ালিটি অব কেয়ার ফর হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি, বাংলাদেশ’ এবং একটি গাইড লাইন ‘ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার স্ট্যান্ডার্ড’ রয়েছে৷ সে অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে৷তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালসমূহে বেড, ভাড়া, বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা ফি এবং অন্যান্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে৷নাসিম বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে এ সংক্রানত্ম পরিপত্র স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে৷ সে অনুযায়ী ফি গ্রহণ করা হয়ে থাকে৷স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের সুবিধার্থে এ সব নির্ধারিত ফি হাসপাতালের দৃষ্টি গোচরীভূত স্থানে টাঙ্গিয়ে দেয়া হয়েছে৷