স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ছোট করার জন্যই তাঁর সাথে জিয়াউর রহমানকে মরণোত্তর স্বাধীনতার পদক দিয়েছিল বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার।

তিনি বলেন,কি ভাবে বঙ্গবন্ধু ও জিয়াকে এককাতারে দাঁড় করানো হল। স্বাধীনতার পদক দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে তুলনা করা হয়েছে একজন সেক্টর কমান্ডরের সাথে। স্বাধীনতার ¯্রষ্ঠাকে ছোট করার জন্যই তৎকালিন জোট সরকার বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়।

প্রসঙ্গত,বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৩ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়। সেই পদক ও তার নথি সংরক্ষণ করা হয় জাতীয় জাদুঘরে।মোহাম্মদ নাসিম শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী আয়োজিত আলোচনা সভা ও স্বরচিত কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভা ও স্বরচিত কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি চিত্রনায়ক মাসুম পারভেজ রুবেলের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে: কর্ণেল মুহাম্মদ ফারুক খান, কবি ও নাট্যকার কাজী রোজী এমপি, আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এডভোকেট বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সম্পাদক রানা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক পরিমল ঘোষ রঞ্জিত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু নিজে জিয়াউর রহমানকে তাঁর সরকারের সময়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য জিয়াকে বীরউত্তম উপাধী দিয়েছিলেন। তাহলে বলেন বঙ্গবন্ধু কি ভাবে তার অবদানকে অস্বীকার করলেন। কিন্তু আপনারা (বিএনপি) কি করলেন? বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়াকে এক কাতারে নিয়ে এলেন।তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যে জিয়াকে পুরস্কার দিলেন সেই জিয়া পরিবর্তিতে তাঁর সাথে বেইমানী করলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের জিয়া তার সরকারের সময়ে আশ্রয় প্রশ্রয় দিলেন। বিভিন্ন দ্রুতাবাসে চাকুরীর সুযোগ করে দিয়েছিলেন।মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান হাতের কাছে পেয়েও হত্যার সাহস পায়নি। অথচ এদেশের কয়েকজন বিশ্বাস ঘাতক তাকে হত্যা করেন। আর এ হত্যাকান্ডের বিচার যাতে না হয় সেজন্য খুনি মোশতাক ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে। আর দীর্ঘদিন ধরে জিয়াউর রহমান, এইচএম এরশাদ ও খালেদা জিয়া এই কালো আইন ধারন করেন।