মেসির ক্যারিশমায় ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা 

0
71

ভক্ত-সমর্থকদের ভালো দুশ্চিন্তাতেই ফেলে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলাররা। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা খেলতে পারবে কি না, তা নিয়েই চলছিল ঘোর সংশয়। বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নামার আগেও লিওনেল মেসিরা ছিলেন টলোমলো অবস্থায়। ইকুয়েডরের বিপক্ষে এই শেষ ম্যাচ হারলে বা ড্র করলে অনেক জটিল হিসাব-নিকাশ নিয়ে বসতে হতো আর্জেন্টিনাকে।

ইকুয়েডরের মাঠে জয়টা যেন অধরাই ছিল আর্জেন্টিনার। দীর্ঘ ১৬ বছর কেটে গেছে একবারও ইকুয়েডরের মাঠে তাদের হারাতে পারেনি ম্যারাডোনার উত্তরসূরীরা। কিন্তু বুধবার ঠিকই ইকুয়েডরের মাঠে জয় পেল সাম্পাওলির শিষ্যরা। আর এ জয়ে ক্যারিশমা দেখিয়েছেন ফুটবলের জাদুকর লিওনের মেসি। মেসির হ্যাটট্টিকে অবশেষে সব শঙ্কা দূর করে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আর এই টিকিট পেতে ১৬ বছরের রেকর্ড ভাঙল নীল-সাদ জার্সিধারীরা। মেসির হ্যাটট্রিকেই ভর করেই ইকুয়েডরকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা।

এই ম্যাচের আগে ইকুয়েডরের মাঠে সর্বশেষ তারা জয় পেয়েছিল ২০০১ সালে। ওই সময় আকাশি-নীল জার্সিধারীদের দলে হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন, হারনান ক্রেসপো ছাড়াও ছিলেন ডিয়েগো সিমিওনে, পাবলো সোরিনের মতো মিডফিল্ডাররা। প্রকৃতপক্ষেই তারা ছিলেন বিশ্বশক্তি। গত ১৬ বছরে ৪ বার ইকুয়েডরের মাঠে স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা। এর ২টি হেরেছে ও ২টি ড্র করতে পেরেছে আকাশি-নীলরা।

 

সমর্থকদের অনেক দুশ্চিন্তায় রাখলেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ভালোভাবেই পেরিয়ে গেছে বাছাইপর্বের বাধা। দক্ষিণ আমেরিকা থেকে ব্রাজিল তো অনেক আগেই পেয়ে গিয়েছিল বিশ্বকাপের টিকেট। আর্জেন্টিনাও শেষপর্যন্ত তৃতীয় স্থান দখল করে যোগ দিয়েছে ব্রাজিলের সঙ্গে। দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্থানের দখল আছে উরুগুয়ে ও কলম্বিয়ার কাছে। এ চার দলই পেয়ে গেছে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকেট। আর পঞ্চম স্থানে থাকা চিলিকে খেলতে হবে মহাদেশীয় প্লে-অফ।