গবেষকদের কাছে এই মাছের নাম করাতি মাছ, স্থানীয়রা ডাকেন করাতি হাঙর। মুখটি করাতের মত দেখতে বলেই এই নামে ডাকেন লোকে। গতবার শনিবার বাগেরহাটের শরণখোলা মৎস্য আড়তে মাছটি ধরা পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যে ১ হাজার টাকা কেজি করে মাছটি বিক্রি করা হয়।

মাছটির ওজন প্রায় ২০ মণ। লম্বায় প্রায় ২০ ফুট। মাছটির বিক্রেতা ব্যবসায়ী কবির হোসেন আড়তদার বলেন, ‘২ নভেম্বর খুলনার জেলেদের জালে বিশাল আকৃতির একটি খটক মাছ ধরা পড়ে। ওই মাছ আমি দেড় লাখ টাকায় কিনে নিই। পরে আমি মাছটি শরণখোলায় নিয়ে এলে স্থানীয় লোকজন তা দেখতে ছুটে আসেন। মাছ শরণখোলা বাজারে আনা হয়েছে—এই সংবাদ মাইকিং করে স্থানীয়দের জানানো হয়।’

কবির হোসেন জানান, মাছটি কেটে বর্জ্য ফেলে দেয়ার পর ১৪ মণ মাছ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের বিশ্বাস এই মাছটি খেলে দুরারোগ্য রোগ সারে। তবে এই ধারণা সত্যি নয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মাছটি ২২৫ কেজির মত বিক্রি হয়েছে। বাকি মাছ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আজ রোববারের মধ্যে সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে।