বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের হোমপেজে শনিবার উপমহাদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার ১৩৭তম জন্মবার্ষিকী ও ৮৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বিশেষ ডুডলটি প্রদর্শন করা হচ্ছে।যথাযোগ্য মর্যাদায় বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়েছে। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিরনায়তনে সকাল সাড়ে দশটায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এবং বেগম রোকেয়া স্মৃতি পদক প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুরের পায়রাবন্দে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। রোকেয়া খাতুন, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, মিসেস আর এস হোসেন নামেও লিখতেন এবং পরিচিত ছিলেন তিনি। ঊনবিংশ শতকে নারীরা যখন অবরোধবাসিনী, একই সময় নারীর পরাধীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন তিনি।বেগম রোকেয়া নারী-পুরুষ সমতার পক্ষে প্রগতিশীল চিন্তা ও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রথম দিককার অন্যতম মুসলিম নারী।
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্বপ্ন ছিল সমাজে নারী-পুরুষ সমান মর্যাদা আর অধিকার নিয়ে বাঁচবে। সেই স্বপ্নের কথাই তিনি লিখে গেছেন তাঁর গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধগুলোতে। নারীশিক্ষার গড়ে তোলা তিনি আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, তাদের ক্ষমতায়ন, ভোটাধিকারের জন্য লড়াইটা এই বাংলায় রোকেয়াই শুরু করেছিলেন।নারী শিক্ষার অন্যতম প্রবক্তা রোকেয়া গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন যে তৎকালীন সমাজে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈষম্যই নারী পুরুষ অসমতার মূল কারণ্।