নবম ওয়েজ বোর্ডের ফাইল এখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের যে বেতন বৈষম্য, এটি কাম্য নয়। এটি দূর করতে হবে।বুধবার সকালে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এ কথা বলেন তিনি। তারানা হালিম বলেন, মালিকের স্বার্থ নয়, সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা করবে সরকার। বেতন বৈষম্য দূর করা হবে। সুখবর আছে, নবম ওয়েজ বোর্ড সংক্রান্ত ফাইল এখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। এ সময় তিনি মন্ত্রণালয়ের আগামী দিনের কর্মসূচি তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চেষ্টা করব বাংলাদেশকে বিদেশে তুলে ধরতে। চলচ্চিত্র, বিভিন্ন ডকুমেন্টারিসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিদেশের মাটিতে ব্র্যান্ডিং করব।

এদিকে, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্বাচন-পরবর্তী বিএনপি-জামায়াতের পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার পূর্ণিমাকে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে ছবিসহ পোস্ট দিয়েছেন তারানা হালিম। জানতে চাইলে তারানা হালিম বলেন, অনেক কষ্ট করে ওকে খুঁজে পেয়েছি।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে অনেক দূর পড়াশোনা করিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে মা মনি বলে ডাকতেন পূর্ণিমা। নিজের মায়ের মতো হাতে খাইয়েছেন। নেত্রী বলেছেন, পূর্ণিমার মতো মেয়েদের অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।তারানা হালিম বলেন, আমি তাকে তিনটি প্রশ্ন করেছি- সততার সঙ্গে কাজ করতে পারবে কিনা, দিবারাত্রি কাজ করতে পারবে কিনা এবং ভুল করলে বকা দিলে অভিমান করবে কিনা- প্রশ্নে তার উত্তর ছিলো সন্তোষজনক। তাহলে তোমাকে একটা সুযোগ দিতে চাই, এই ভেবে ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

নতুন বছরের শুরুতে মন্ত্রিসভা রদবদল এবং কলেবর বৃদ্ধির সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তারানা হালিম।এই মন্ত্রণালয়ে তার ব্যক্তিগত পদটি পূরণ করে তারানা হালিম বলেন, এভাবে ওই সময়ে যারা ধর্ষণের হয়েছিলো তাদের যদি মূল্যায়ন করি তাহলে আমরা সম্মানিত হই। সরকারি অফিসে আসবে-যাবে। আত্মপ্রত্যয়ী হয়ে উঠবে। নতুনভাবে তার পথ চলা শুরু হলো। তাদের মতো মানুষকে সম্মানিত করলে আমরা সম্মানিত হই।তারানা হালিম বলেন, দায়িত্ব দিয়ে ছবি তুলে বললাম ফেসবুকে দিতে কোনো আপত্তি নেই? তখন সে বললো, এই লজ্জা তো আমার নয়, তাদের…। এভাবে সম্মানিত করা মানে অপরাধীর পিঠে চাবুকের মতো পড়া’, বলেন তারানা হালিম। ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নিজেরাই নিয়োগ দিতে পারেন উল্লেখ করে তারানা হালিম বলেন, ডিপ্লোমা পাস করেছে, চাকরির যোগ্যতা রয়েছে তার (পূর্ণিমা)। সিরাজগঞ্জের সেই পূর্ণিমা রাজধানীতে গান শেখায়। ধর্ষণের ঘটনায় ২০১১ সালে মামলায় ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন আদালত।