ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে যুবলীগের দুই গ্র“পে সংঘর্ষ, মঞ্চ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিশ শারমিন জানান, যুবলীগের নব-গঠিত কমিটির আহ্বায়ক আবুল খায়েরের সংবর্ধনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্র“পের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন। তাই বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকায় পৌর শহরে রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম খান জানান, কমিটিকে কেন্দ্র করে দুই গ্র“পের সংঘর্ষের ঘটনায় মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় পথচারীসহ ১০জন আহত হয়। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও জানান।স্থানীয়রা জানায়, রবিবার দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সুমনের ছোট ভাই উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবুল খায়েরকে স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীরা সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। এই সংবর্ধনার জন্য মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে মঞ্চ করা হয়। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মঞ্চের পেছন দিকের কাপড়ে সাবেক এমপি আব্দুস সাত্তার গ্র“পের লোকজন আগুন ধরিয়ে দেয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা সদরে ময়মনসিংহ কিশোরগঞ্জ রোডে দুই গ্র“পের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় মঞ্চ ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম বাবুল, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তারা মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা তুষার, পথচারী আকবর আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে।

যুবলীগের নব-গঠিত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুস সালাম জানান, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবুল খায়েরকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য স্মৃতিসোধ প্রাঙ্গনে মঞ্চ তৈরি করা হয়। দুপুরে তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। সাবেক উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাবেক এমপি আব্দুস সাত্তারের ঘনিষ্টজন মতিউর রহমান মতি ও তার লোকজন মঞ্চ ভাঙচুর করে তাদের লোকজনের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ করেন।