পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রী মীর হাজার খান বিজরানি স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।করাচির ‘ডিফেন্স হাউজিং অথরিটিতে’ অবস্থিত বাসভবন থেকে গত বৃহস্পতিবার পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) জ্যেষ্ঠ নেতা হাজার খান ও তার সাংবাদিক স্ত্রী ফারিহা রাজাকের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মৃতদেহ দুইটি উদ্ধার করে।ফারিহার মৃতদেহ স্টাডিরুমের প্রবেশ পথে মেঝেতে পড়েছিল। একই কক্ষের সোফার উপর হাজার খানের মৃতদেহ পাওয়া যায়। ঘরের প্রধান প্রবেশদ্বার ভেতর থেকে বন্ধ ছিল বলে ডনের প্রতিবেদনে জানানো হয়।প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশের ধারণা, হাজার খান স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেন।

করাচি সাউথ জোন পুলিশের পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা প্রমাণ এবং ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী খুব সম্ভবত হাজার খান স্ত্রীকে হত্যার পর একই অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেন।ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার গুলির খোসাগুলো একটি আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই চালানো হয় বলেও জানানো হয়।এ ঘটনায় পুলিশের দুই নিরাপত্তারক্ষী এবং চারজন গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে এ দম্পতির মনমালিন্য চলছিল।এক নিরাপত্তারক্ষী জানায়, সকাল সাড়ে ৯টা দিকে এক গৃহকর্মী তাকে ঘরের ভেতর ঝগড়া ও গুলির শব্দ পাওয়ার কথা জানায়। এরপর সে হাজার খানের প্রথম পক্ষের ছেলে রাজা উমর খাতাবকে খবর দেয়।“তিনি এলে রান্না ঘরের জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।