নওগাঁয় ডাকাতিকালে ট্রাকের ধাক্কায় এক ডাকাতের মৃত্যু আহত ৬

নওগাঁর সাপাহারে সড়ক ডাকাতিকালে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক ডাকাতের মৃত্যু সহ ডাকাতির কবলে পড়া ৬জন নিরীহ মানুষ গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাটি গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত্রি ১২টার দিকে সাপাহার-পোরশা রাস্তার বাসুল ডাঙ্গা মোড়ের অদুরে ঘটেছে।

জানা গেছে ওই দিন রাত্রি ১১টার দিকে বাসুল ডাঙ্গা গ্রামের আশাদুল হকের পুত্র রুহুল আমিনের স্ত্রী মনোয়ারা খাতুন শারীরীকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে রুহুল আমিন গ্রামের বয়েজ উদ্দীনের পুত্র জামানের ব্যাটারী চালিত ইজি-বাইক ভাড়া করে তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী তাছলিমা খাতুন ও গ্রামের লতিফর এর পুত্র মিলন, ময়েজউদ্দীনের পুত্র মসজিদের ইমাম জাহিদুল ইসলাম, আলেকবাবুকে সাথে নিয়ে সাপাহার হাসপাতেল চিকিৎসা করতে আসে। চিকিৎসা শেষে ১১.৪৫মিনিটের দিকে তারা ৬জনে আবার তাদের ইজি-বাইকে চড়ে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে রাত্রি ১২টার দিকে তাদের গ্রামের অদুরে বাসুল ডাঙ্গা মোড়ে পৌঁছলে পূর্ব হতে ওই মোড়ে ছোট ছোট কয়েকটি গাছ ও রাস্তার ব্রীজের উভয় পাশে থাকা সাংকেতিক কয়েকটি পিলার দ্বারা রাস্তায় বেরিকেট দিয়ে ওতপেতে থাকা ডাকাত দলের কবলে পড়ে। এসময় ডাকাত দল তদের ইজি-বাইকটি রাস্তার মাঝখানে আটকে রেখে কাওকে নামতে না দিয়ে যার কাছে যা আছে ছিনিয়ে নেয়। ঠিক ওই মহুর্তে সামনের দিক হতে দ্রুত গতিতে ছুটে আসা একটি ট্রাক ওই স্থানে পৌঁছলে তারা রাস্তায় বেরিকেট দেখে সকলকে ডাকাত ভেবে বেরিকেট ভেঙ্গে রাস্তায় থাকা ডাকাত সহ ইজি-বাইকটিকে সরা সরি চাপা দিয়ে চলে যায়। এসময় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একজন ডাকাত ও ইজি-বাইকটি দুমড়ে মুচড়ে বাইকে থাকা ৬জন যাত্রীই গুরুতর আহত হয়। আহতদের সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে এলে রুহুল আমিনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী তাছলিমা খাতুন ও বাইক চালক জামান সহ সকলের অবস্থা ভয়াবহ রুপ নিলে রাতেই তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ট করা হয়। এর কিছুক্ষন পরে রাত্রী ১টার দিকে সাপাহার থানা টহল দল ঘটনা স্থলে টহলে গিয়ে রাস্তার পার্শ্বে এক ডাকাতকে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পিক-আপে করে হাসপাতালে নিয়ে এলে ভোর ৪টার দিতে অজ্ঞাত ওই ডাকাতের মৃত্যু হয় বলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানায়।