বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সড়ক  পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, বিএনপি আন্দোলনে  ব্যর্থ হয়েই আদালতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছে। বিএনপি আইন মানে না, আইনের শাসনও মানতে চায় না। বাংলার মানুষ কখনই বিএনপির আন্দোলনে সাড়া দেয়নি ভবিষ্যতেও দিবে না। বিএনপির আন্দোলনের মরা গাঙে আর জোয়ার আসবে না। তাদের আন্দোলন এখন বেগম খালেদা জিয়ার ভ্যানেটি ব্যাগে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সব সময়ই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই সরকার দলীয়
মন্ত্রীর পুত্র, সরকারী দলের মেয়র ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কারাগারে যেতে হয়েছে। আদালতে সরকারের কোন প্রকার হস্তক্ষেপ নেই। তিনি আরো বলেন, বিএনপির কয়েকজন প্যাথলজিক্যাল লায়ার আছেন, যাদের কাজ বসে বসে মিথ্যাচার করা। এসব কারনে বিএনপির ধানের শীষ এখন মানুষের কাছে পেটের বিষ হয়ে
দাঁড়িয়েছে। বুধবার দুপুরে পাবনা পুলিশ লাইন মাঠে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলুর সভাপতিত্বে ও পাবনা-৫ আসনের এমপি গোলাম ফারুক প্রিন্সের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের
মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, পাবনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল রহিম লাল, পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুর রহমান আরজু, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মকবুল হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। মন্ত্রী ওব্ধাসঢ়;য়দুল কাদের আরো বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আর উন্নয়ন দেখে বিস্মিত। জিডিপিতে বাংলাদেশ চীনের প্রতিদ্বন্দ্বি।
দেশের এসবই সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারনে। দেশের মুক্তিযুদ্ধ, গনতন্ত্র, বাঙ্গালীকে বাঁচাতে হলে আওয়ামীলীগকে বাঁচাতে হবে। আর দেশের চলমান উন্নয়ন আর শান্তির ধারা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে হবে। শেখ হাসিনার কারনেই সারা দুনিয়া বাংলাদেশকে
সমীহ করছে। দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও আওয়ামীলীগকে ভালবাসেন, সৎ রাজনীতি করেন এবং মানুষকে ভালবাসেন। মানুষের ভালবাসার চাইতে বড় কিছু নেই। চিহ্নিত মাদকাসাক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসীরা আওয়ামীলীগের সদস্য হতে পারবে না। আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে
উদ্দেশ্য করে বলেন, দলের বিরুদ্ধে কেউ বিদ্রোহ করলে আজীবনের জন্য বহিস্কার করা হবে।