আ.লীগের ইতিহাস প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার ইতিহাস: নোমান

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যত কথা বলবেন, ততই বিএনপির লাভ হবে বলে মনে করছেন আবদুল্লাহ আল নোমান।গত কয়েকদিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের নতার বক্তব্য শোনার পর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নোমান বলেছেন, ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য শুনলেই মনে হয় যেন এই একটা আশ্চর্য তার স্বর। যে স্বরে কথা বললে আমাদের (বিএনপি) অনেক উপকার হয়। তার হিংসাত্মক যে বক্তব্য, সেই হিংসাত্মক বক্তব্যকে প্রতিহত করার একটা শক্তি অর্জন করে আমাদের নেতা-কর্মীরা।তাই তার বক্তব্যকে আমরা সবসময় ওয়েলকাম করি। যেন তিনি তার বক্তব্য দিয়ে যান এবং জনগণ আরও বেশি আমাদের পক্ষে আসুক।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সোমবার এক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রবীণ রাজনীতিক নোমান।আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই দলটির ইতিহাস প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার ইতিহাস। যে দল মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই দল ১৯৫৭ সালে রূপমহল (পুরনো ঢাকায়) সিনেমা হলে মওলানা ভাসানীকে বের করে দিয়ে সেদিন জনাব শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব আওয়ামী লীগ দখল করেছিলেন।আওয়ামী লীগ ভেতরের রূপ স্বৈরাচারের। যে স্বৈরাচারের প্রকাশ কয়েকদিন আগে আমরা দেখেছি।দশম সংসদ নির্বাচন বয়কট করলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিতে চায় বলে জানান নোমান। দেশে একটা নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করব। সেই নির্বাচনের আগে আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব, আমরা নির্বাচনের পূর্বে আমরা আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মীদের মুক্ত করব।আমরা এই বন্দি মুক্তি ছাড়া এগিয়ে যেতে চাই না। অবশ্যই নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে।গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি।বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ হওয়ার ছয় বছর উপলক্ষে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা হয়।সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুসলিম লীগের মহাসচিব জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।