বজ্রপাতে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জে এক শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছে।মঙ্গলবার ভোর ও দুপুরে এ বজ্রপাত হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

সুনামগঞ্জ:সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারবাজার ও দিরাই উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।এরা হলেন, তাহিরপুরের সদর ইউনিয়নের ভাটিতাহিরপুর গ্রামের নূর হোসেন (২২), বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের পুরানগাঁও এলাকার শাহান বানু (৩৫), একই উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের শিদ্ধরপুর গ্রামের সুরমা বেগম (২২), দোয়ারাবাজার উপজেলা মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ডুমবন্ধ গ্রামের আসাদ আলীর ছেলে ফেরদৌস আহমেদ (১২) এবং দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের টংঘর গ্রামের মো. মোছলিম উদ্দিন (৭৫)।তাহিরপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন বলেন, দুপুরে ভাটিতাহিরপুর গ্রামের মুক্তুল হোসেন গ্রামের পাশে শনির হাওরে ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে তার স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসেন।বিশ্বম্ভরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নব গোপাল জানান, শাহানা বানু বাড়ির আঙিনায় কাজ করছিলেন। এসময় বজ্রপাতে আহত হন তিনি।আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দোয়ারাবাজার থানার ওসি সুশিল রঞ্জন দাস জানান, ডুববন্দ গ্রামের আসাদ আলীর ছেলে ফেরদৌস বাড়ির পাশের খালে জাল দিয়ে মাছ ধরছিল। এ সময় বজপ্রাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আর মঙ্গলবার ভোরের দিকে বাড়ির পাশে ধানের খলায় (ধান শুকানোর জায়গা) ঘুমিয়ে ছিলেন মোছলিম উদ্দিন।ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিব উল্লাহ জানান।এছাড়া বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের শিদ্ধরপুর গ্রামের সোমা বেগম (২২) বাড়ির আঙিনায় কাজ করা সময় ব্রজপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

হবিগঞ্জ:হবিগঞ্জে বানিয়াচং উপজেলার মর্দনপুর গ্রামে বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।নিহত জুবায়ের আহমেদ (২৮) ওই গ্রামের মোতাহির মিয়ার ছেলে।মঙ্গলবার দুপুরে জুবায়েরকে হাসপাতালে আনা। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার দেবাশীষ রায় জানান। স্থানীয়রা জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর দুপুরে ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়েন জুবায়ের।এ সময় বজ্রপাতে আহত হলে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়।