নানা অনিয়ম ও বুথ দখলে খুলনায় ভোট গ্রহণ: চলছে গণনা

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষে হয়েছে। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলে। এখন শুরু হয়েছে ভোট গণনা। দিনভর ভোটে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে নানা অনিয়ম, অভিযোগ, ব্যালট পেপারে জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। আবার ভালো ভোটও হয়েছে অনেক কেন্দ্রে। খুলনা ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী বলছেন, ভোট ভালো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী বলছেন, অন্তত ৪০টি কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। অনিয়ম ও বুথ দখল করে ভোট দেওয়ার কারণে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুটি ভোটকেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। এগুলো হলো ইকবালনগর সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্র (পুরুষ) ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় কেন্দ্র। এ ছাড়া আরও অন্তত তিনটি কেন্দ্রে ভোট কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে বাধ্য হন প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা।

এরপর পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রওয়ারি ফলাফল ঘোষণা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। জানা যাবে কে হচ্ছেন খুলনার পরবর্তী নগরপিতা।এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম হয়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। প্রধান দুই দলের প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি বাকযুদ্ধ ভোটের আগে উত্তাপ ছড়ালেও খুলনা সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রতীকে প্রথম নির্বাচন বড় ধরনের গোলযোগ ছাড়াই শেষ হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে। এরপর কেন্দ্রে কেন্দ্রে শুরু হয়েছে গণনা।প্রায় ৫ লাখ ভোটারের এ সিটির ২৮৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের ভোট অনিয়মের কারণে স্থগিত হয়েছে হয়েছে জানিয়েছেন এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী। এছাড়া আরও অন্তত সাতটি কেন্দ্রের-ভেতরে বাইরে গোলযোগ, অনিয়ম, এজেন্টদের বাধা ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।বিএনপি অভিযোগ করেছে, অর্ধেক ভোটকেন্দ্রেই নানা ধরনের অনিয়ম ঘটেছে,কেন্দ্রে ঢুকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর মার্কা নৌকায় সিল মেরে ব্যালট দিয়ে বাক্স ভরা হয়েছে, ধানের শীষের প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে, সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছে।অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলেছে, পরাজয় অবশ্যম্ভাবী জেনে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই বিএনপি ‘মিথ্যা অভিযোগ করছে। ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবেই ভোট হয়েছে। কয়েকটি কেন্দ্র বন্ধ হয়েছে, সেগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা।চার ঘণ্টার ভোট শেষে বেলা ১২টা পর্যন্ত মোটামুটি ৩০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে বলে ধারণা দিয়েছিলেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুল কবীর।তবে শেষ পর্যন্ত কত শতাংশ ভোট পড়ল, সে বিষয়ে কোনো তথ্য এখনও নির্বাচন কমিশন জানায়নি।এক নজরে খুলনা সিটি নির্বাচন:ওয়ার্ড: সাধারণ ওয়ার্ড ৩১টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১০টি।প্রতিদ্বন্দ্বী: মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন।কেন্দ্র ও ভোটকক্ষ: ২৮৯টি ভোট কেন্দ্র, তাতে ভোট কক্ষ ১৫৬১টি।ভোটার: ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ জন ও মহিলা ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন।ইভিএমে ভোট হয় দুই কেন্দ্রে। দুই কেন্দ্রে ভোটার ছিলেন তিন হাজারের মত।নির্বাচনী কর্মকর্তারা জানান, বিকাল ৪টায় ভোট শেষ হলেও ওই সময়ের মধ্যে যারা কেন্দ্রে প্রবেশ করেছেন, তাদের সবাইকেই ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।গণনা শেষে পর্যায়ক্রমে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরের কেন্দ্রভিত্তিক ফল জানানো হবে। একীভূত ফল ঘোষণা করা হবে বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে। রিটার্নিং কর্মকর্তা সেখান থেকেই ফল ঘোষণা করবেন।অবশ্য দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হওয়ায় ওই দুই কেন্দ্রের ফলই জানা যাবে সবার আগে।এর মধ্যে সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার ছিলেন ১ হাজার ৯৯ জন, আর পিটিআইয়ের জসিম উদ্দিন হোস্টেলের অস্থায়ী কেন্দ্রে ১ হাজার ৮৭৯জন।জসিম উদ্দিন হোস্টেলের অস্থায়ী কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, ঠিক ৪ টায় ভোটগ্রহণ শেষ করা হয়েছে। বিধি মোতাবেক কিছু কাজ আছে। সেগুলো সেরে খুব স্বল্প সময়ে ইভিএমের ফলাফল দিতে পারব আশা করি।
খুলনায় দুটি ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ভোট নেওয়া হয়েছে। এ দুটি কেন্দ্রের ফলাফল এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু ফল পেতে রাত হবে বলে নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।খুলনায় ভোট নিয়ে শুরু থেকেই ছিল নানা শঙ্কা। তবে এই নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলাজনিত বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির একজন এজেন্ট সেলিম কাজীকে মেরে রক্তাক্ত করার ঘটনা ঘটেছে।খুলনার নির্বাচনে মেয়র পদে এবার পাঁচজন প্রার্থী। আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা এবং বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজ্জাম্মিল হক হাতপাখা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে) এবং জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান (লাঙ্গল) মেয়র পদে লড়বেন।খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী ১৪৮ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৫ জন নারী কাউন্সিলর পদে লড়ছেন। এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। ভোট হবে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে। দুটি ওয়ার্ডের দুটি ভোটকেন্দ্রে ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সেখানে মেয়র প্রার্থীদের নাম ও প্রতীক এবং সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রতীকে বোতাম চেপে ইভিএমে ভোট দেবেন ভোটাররা।রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট করার জন্য তাঁদের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ২৪ জন পুলিশ ও আনসার। সাধারণ কেন্দ্রগুলোর প্রতিটিতে থাকবে ২২ জন করে। এর বাইরে পুলিশের ১১টি স্ট্রাইকিং দল (প্রতিটিতে ১০ জন করে), ৭০টি ভ্রাম্যমাণ দল (প্রতিটি ৭ জন করে), ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ৩২টি ভ্রাম্যমাণ দল, ৩১ জন নির্বাহী হাকিম এবং ১০ জন বিচারিক হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন।নির্বাচন কমিশন বলছে, খুলনায় মোট ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩৪টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ (কমিশনের ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ)। আর ৫৫টি সাধারণ বা ঝুঁকিমুক্ত কেন্দ্র আছে।আজ ভোট শুরুর পরই বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অনিয়মের নানা অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, ৪০টি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। এজেন্টদের মারধরের কথাও বলেন তিনি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বিএনপির অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছেন। তিনি বলেছেন, পরাজয় বুঝতে পেরে বিএনপি এসব কথা বলছে।রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী আজ বলেছেন, দু-একটি ঘটনা ছাড়া ভোট সুষ্ঠু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বিএনপির অভিযোগ সুস্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করেছেন।খুলনায় ২০১৩ সালে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি বিজয়ী হন। ওই নির্বাচনে তালুকদার আবদুল খালেক পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে খালেক মেয়র নির্বাচিত হন।খুলনা মহানগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০২ নম্বর ভোটকেন্দ্র ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মারার ঘটনাখুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে সকালে ভোটগ্রহণের পরিবেশ ছিল সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ। উৎসবের আমেজে ভোটাররা বিভিন্ন কেন্দ্রে আসতে থাকেন। নির্বিঘেœ ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে তারা বেরও হয়ে যান। কিন্তু দুপুরের দিকে হঠাৎ করেই পাল্টে যায় শান্তিপূর্ণ এ পরিবেশ।মঙ্গলবার দুপুরের দিকে মহানগরীর ১নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ মুখোমুখী অবস্থান নেয়, ২৫নং ওয়ার্ডে কেন্দ্র দখল করে চলে ভোটদান, ২৪নং ওয়ার্ডে ঘটে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা, ২২নং ওয়ার্ডে এজেন্টদের দিয়ে চলে ভোটদান, এ কেন্দ্রে ভোটারদের জোর করে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়, দুয়েকটি কেন্দ্রে পিসাইডিং অফিসারকে জিম্মি করে চলে ভোটদান। এতে কেন্দ্রে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কমে যায় ভোটার আসার গতি। একইসঙ্গে দুই কেন্দ্রে ভোট বাতিল করা হয়।এদিকে, আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘোষণা দেওয়া সুষ্ঠু পরিবেশ হঠাৎ বদলে যাওয়ায় নানা অভিযোগ করতে থাকে বিএনপি। বিএনপির শঙ্কা বাস্তবে রূপ নেওয়ায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা বিক্ষোভ করেন।এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘এ ধরনের আশঙ্কা বিএনপি আগেই করেছিল। ভোট চলাকালে আওয়ামী লীগের চরিত্র আরও একবার দেখলেন নগরবাসী। তারপরও বিএনপি নেতাকর্মীরা মাঠ ছাড়েননি। চাপের মধ্যে থেকেও কর্মীরা দায়িত্ব পালনে অনড় থেকেছেন। ভোট কক্ষ থেকে বিএনপির কর্মীদের বের করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কর্মীরা কেন্দ্রের সামনে অবস্থান নিয়ে কঠিনভাবে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করেছে। আওয়ামী লীগ কর্মীরা দলে দলে কেন্দ্রে প্রবেশ করেছে, আর ভোট ডাকাতিতে মেতেছে। কিন্তু জনতার সতর্ক অবস্থানের কারণে তার কিছু অংশ প্রতিরোধ করার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের চরিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরা গেছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ভোট কাটায় বিশ্বাস করে না। এ ধরনের কোনও নজির আওয়ামী লীগে নেই। বিএনপি কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগকে অভিযুক্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’ তিনি দাবি করেন, ‘যেসব কেন্দ্রে এ ধরনের (বিশৃঙ্খলা) ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো বিএনপিরই নিয়ন্ত্রণে ছিল। ওইখানে আওয়ামী লীগের কঠোর নজরদারির কারণে বিচ্ছিন্নভাবে তাদের ভোট কাটার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের জালাল শাহা বলেন, পল্লিমঙ্গল রহমানিয়া স্কুলকেন্দ্রে বেলা ১১টার দিকে ব্যালট পেপারের সঙ্কট দেখা দেয়। ২০ মিনিট পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ভোটাররা ব্যালট পাননি। তারা ভোট না দিয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন।মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর কবির বলেন, ‘১৮নং ওয়ার্ডের প্রতিটি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুস আলী বলেন, বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। যেসব স্থানে অনিয়ম হয়েছে, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, কেন্দ্র বাতিল করা হয়েছে। দুস্কৃতকারীরা কোনোভাবেই সফল হতে পারেনি।