নীলফামারী-৩ আসনে তৃণমুলের একমাত্র ভরসা সহীদ হোসেন রুবেল।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী ৩ আসনে তৃণমুলের একমাত্র ভরসা জলডাকা উপজেলা আ’লীগের ২১ বছরের সফল সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকায় বেশ বড় একটা অংশ থাকবে তরুণ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের নাম। আর এই মনোনয়ন প্রত্যাশী ক্লিন ইমেজ ও তরুণদের মধ্যে নীলফামারী-৩ জলঢাকা আসনে সবচেয়ে এগিয়ে জলঢাকা আওয়ামী পরিবারের সন্তান সহীদ হোসেন রুবেল। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও বাংলাদেশ আ’লীগ জলঢাকা উপজেলা শাখার ৭৫ পরবর্তী সভাপতি ডাঃ শফিয়ত হোসেনের দ্বিতীয় ছেলে । এছাড়া তাঁর ব্যাক্তিগত পরিচয়েও পিছিয়ে নেই । জেলার তুখোড় ফুটবল খেলোয়ার হিসেবে রংপুর বিভাগের অনেক সুনাম কুড়িয়েছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন ছাড়াও জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হিসেবে খেলাধুলা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। সংস্কৃতিমনা মানুষ হিসেবেও বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত আছেন তিনি। এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রাজনীতির পথচলা জলঢাকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের মধ্যদিয়ে হলেও কারমাইকেল কলেজ ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদকেরও দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর তিনি উপজেলা যুবলীগের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে বিপুল ভোটে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ভাইদের মধ্য বড়ভাই সারোয়ার হোসেন জুয়েল উপজেলা আ’লীগের কার্য্য নিবার্হী কমিটির সদস্য, আর অপরভাই কাঠালী ইউনিয়নের তিনবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন তুহিন উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং ছোটভাই সাদ্দাম হোসেন পাভেল উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে পাভেল কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হিসেবে কেন্দ্রে আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

এবারের একাদশ সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের প্রার্থী তালিকার বিভিন্ন জরিপে প্রিয় নেতা সহীদ হোসেন রুবেলের নাম দেখে আশাবাদী তার কর্মী সমর্থকরা। সমর্থকদের বিশ্বাস দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিবেন তাদের নেতাকে। এর আগে তিনি ২০০১,২০০৮ ও ২০১৪ সালে এই আসনে আ’লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। এছাড়াও ২ বার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদিকে তিনি দীর্ঘদিন থেকে সংসদীয় আসনের বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ করে সরকারে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে আবারো নৌকা মার্কার জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন। দেশের উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে এই আসনকে আওয়ামীলীগের ঘাটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন তিনি। প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা ও উপজেলা নৌকা সমর্থক গোষ্ঠীর সভাপতি সাবেক প্রধান শিক্ষক তোফায়েল মাষ্টার বলেন,উপজেলা আওয়ামীলীগের বিশ্বস্ত এই পরিবারটির যোগ্য উত্তরসুরী সহীদ হোসেন রুবেলকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন,২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর জামাত-শিবির তাদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালিয়ে পরিবারের লোকজনকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিল।
মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদি জলঢাকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে দলীয় সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আবারো ক্ষমতায় আনতে যেকোন ত্যাগ স্বীকার করতে আমি প্রস্তুত। তিনি আরো বলেন, এ আসনে বিতর্কিত ব্যাক্তি বাদে দল যাকে মনোনয়ন দিবে তারপক্ষে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নৌকার জয়লাভের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো।

মহিনুল ইসলাম সুজন,বিশেষ প্রতিনিধি