গত অর্থবছর রেলের লোকসান এক হাজার ৮৫২ কোটি টাকা

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক।স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রোববার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সরকারিদলের মামুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে মুজিবুল হক জানান, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিট লোকসান ছিল এক হাজার ৮৫২ কোটি ৯৪ লাখ ৬৬ হজার টাকা। ওই অর্থবছরে রেলের আয় ছিল এক হাজার ২৮৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। আর ব্যয় ছিল ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৩০ লাখ ৩০ হাজার টাকা।সরকারি দলের সদস্য মিজানুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, রেলওয়েতে যাত্রী পরিবহন উত্তরোত্তর বাড়ছে। ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে যাত্রী ছিল ৬ কোটি ৪৯ লাখ, ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে ছিল ৬ কোটি ৭৩ লাখ, ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ৭ কোটি ৮০ হাজার এবং ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে যাত্রী ছিল ৭ কোটি ৭৮ লাখ।সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের রেলপথ স্থাপনরে ভৌত নির্মাণ কাজ আগামী আগস্ট এর মধ্যে শুরু হবে বলে আশা করা যায়।রেলপথে ঢাকা অংশের স্টেশনগুলো হল-ঢাকা, গেন্ডারিয়া, কেরানীগঞ্জ, নিমতলা, শ্রীনগর, মাওয়া। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। মেয়াদ শেষে স্টেশনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

সরকারি দলের মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, মেট্রোরেল প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১২ থেকে জুন ২০২৪ সাল পর্যন্ত। ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা তৃতীয় পর্ব থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং ২০২০ সালের মধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় টার্গেট মোতাবেক রাজধানীবাসী মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবে। সেলিম উদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর থেকে২০১৫-২০১৬ অর্থবছর পর্যন্ত বিআরটিসি অপারেটিং লাভে ছিল। কিন্তু নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের ফলে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৪৭৩ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।