নির্ভিগ্নে যাত্রী পাড়াপাড়ে শিমুলিয়া ঘাটে ব্যাপক প্রস্তুতি

দক্ষিণবঙ্গের ২১জেলার প্রবেশদার মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে এখনো ঈদের চাপ শুরু হয়নি। ঈদকে সামনে রেখে নির্ভিগ্নে যাত্রী পাড়াপাড়ে শিমুলিয়া ঘাটে চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। ঈদে ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনা রোধে আগাম এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গত এক সপ্তাহে – নৌরুটে যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে সোমবার বেলা ১১টায় শিমুলিয়া ঘাটে বিআইডব্লিউটিএর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম। সে সময় বক্তিতায় জেলা প্রশাসক সায়েলা ফারজানাবলেন সিসিটিভি ক্যামেরাসহ থাকবে তিন স্তরের পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই মধ্যে ওয়াচ টাওয়ার ও পুলিশ কন্ট্রোল রুম তৈরীর কাজ শুরু হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি ও বিআইডব্লিউটিএ তাদের কার্যক্রমে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে চলছে ১৬টি ফেরি, ঈদকে সামনে রেখে ২টি ডাম্প ও ২টি কে টাইপ যুক্ত হচ্ছে। গত শুক্রবার এ নৌরুটে যুক্ত হয়েছে ২ টি ফেরি, সোমবার যুক্ত হচ্ছে আরো ২ টি ফেরি, তাতে করে এ রুটে ঈদে থাকছে মোট ২০টি ফেরি। এছাড়া ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের পাড়াপাড়ে থাকছে ৮৭ টি লঞ্চ ও সাড়ে ৪ শ’ স্পীড বোট। গতবছর নাব্যতা সংকটের কারণে এ রুটে ভোগান্তিতে পরতে হয়েছিল যাত্রীদের। তাই এবার চলমান রয়েছে ড্রেজার। নদীতে পলি জমলেও চ্যানেল ঠিক রাখা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি’র কর্মকর্তাগণ আশা প্রকাশ করেছেন এ ঘাটের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো। যাত্রীরা নির্ভিগ্নে ঘরে ফিরতে পারবে। কোন প্রকার সমস্যা হবে না। তারা প্রস্তুত রয়েছেন।বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাট ট্রাফিক ইনসপেক্টর মো. সোলেমান জানান, শিমুলিয় ঘাট থেকে ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করবে। প্রত্যেকটি লঞ্চের ফিটনেস সার্টিফিকেট, সার্ভে, রুট পারমিট ঠিক থাকবে। ্ বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও মন্ত্রণালয় সমন্বয়ে একটি কমিটি থাকবে। বর্তমানে নদীতে চলাচলে কোন সমস্যা নেই। এখন পর্যন্ত নাব্যতা সংকট সমস্যা হয় নাই। ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাট এজিএম (বাণিজ্য) মো. খালিদ নেওয়াজ জানান, ঈদকে সামনে রেখে প্রতি বছরেরমত এবারও বিআইডব্লিউটিসি প্রয়োজনিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ১৬ টি ফেরি দিয়ে পাড়াপাড় চলছিল। ঈদকে সামনে রেখে এই বহরে ৪ টি ফেরি যুক্ত হচ্ছে। ২টি গতকাল হয়েছে ২টি আজ হবে। তিনি আরো বলেন গাড়ি আসার সাথে সাথে পাড় হবে। প্রয়োজনে ওপাড় থেকে ফেরি আনা হবে (কাঠাঁলবাড়ি ঘাটের খালি ফেরি)। এখন থেকেই রানিংপজিশনে রাখা হয়েছে ঘাট। যাতে ঈদের ৩/৪ দিন আগে থেকে যে চাপ পরবে তা কাটিয়ে উঠতে পারে। গতবার যে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছিল, এবার লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে কিছুটা পলি দেখা দিয়েছে। ওখান দিয়েই ফেরি চলাচল করছে। এই কর্মকর্তা আরো জানান বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং বিভাগ ড্রেজিং করছে। তিনি আশা করছেন এবার কোন সমস্যা হবে না।নির্ভিগ্নে যাত্রী পাড়াপাড় করতে পারবে।