গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও জাতীয় উন্নয়নকে পুঁজি করে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছে আওয়ামী লীগ। এদিকে মামলা-হামলার শিকার হওয়ার তথ্য তুলে ধরে সহমর্মিতা আদায়ের চেষ্টা করছে বিএনপি। উভয় দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।প্রার্থীরা প্রকাশ্যে ভোটারদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে ভোটের হিসাব-নিকাশের কথা না বললেও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভোটারদের প্রধানত ছয়টি ভাগে ভাগ করেছেন। ভোটারদের এই ভাগের মধ্যে আছেন সিটি করপোরেশন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা, অস্থায়ী বাসিন্দা, শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, তরুণ ভোটার, সিটি করপোরেশনের এলাকাভিত্তিক ভোটার।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদস্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদস্থানীয় রাজনীতিবিদেরা বলছেন, প্রতিটি ভাগেই প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। এর বাইরে ছোট দলগুলোরও কিছু কিছু ভোট আছে। কোন দলের মেয়র প্রার্থীকে ভোট দেবেনÑএমন সিদ্ধান্ত মোট ভোটারের কমপক্ষে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ আগেই নিয়ে রেখেছেন। এদের মনোভাব পরিবর্তন করে ভোট বাড়ানো কোনো দলের পক্ষেই সম্ভব হবে না। মূলত, বাকি ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ভোটার, যাঁরা ‘ভাসমান ভোটার’ হিসেবে পরিচিত, তাঁদের নিয়েই সেখানে হিসাব-নিকাশ করছেন প্রার্থীরা। এই ভোটারদের মধ্য থেকে যিনি যতটা নিজের দিকে টানতে পারবেন, তিনিই জিতবেন।গাজীপুর সিটির মোট ভোটার ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। ভোটার হিসাবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনকে মোট আটটি বিশেষ অঞ্চলে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে আছে কাশিমপুর, কোনাবাড়ী, বাসন, কাউলতিয়া, গাজীপুর পৌর এলাকা, গাছা, পুবাইল ও টঙ্গী।

আটটি বিশেষ অঞ্চলের মধ্যে টঙ্গীতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯৫২। অর্থাৎ মোট ভোটারের ৩২ শতাংশ টঙ্গীর। বাকি সাত অঞ্চলের কোনোটিরই ভোটার দেড় লাখও পার হয় না। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোটার গাছায় ১ লাখ ৪৭ হাজার এবং তৃতীয় কাশিমপুরে ১ লাখ ১৬ হাজার জন। সবচেয়ে কম ভোটার পুবাইলে ৬০ হাজার।আটটি বিশেষ অঞ্চলের মধ্যে টঙ্গীতে বিএনপি প্রার্থীর বাড়ি হওয়ায় সেখানে তিনি বেশি ভোট পাবেন বলে স্থানীয় লোকজন মনে করছেন। গাছা, কোনাবাড়ী, কাশিমপুরে আওয়ামী লীগের ভোট বেশি। বাকি এলাকাগুলোতে দুই প্রার্থী সমানে সমানে থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।টঙ্গীতে ভালো করলে নির্বাচনে ভালো হবেÑএ বিশ্বাস শুধু বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগেরও আছে। তাই এলাকাটিতে বিএনপির মতো বিশেষ নজর আছে শাসক দলেরও।এলাকার বাইরে সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি বড় ভূমিকা নির্বাচনে থাকছে। বিভিন্ন হিসেবে এই সিটি ৮ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত সংখ্যালঘু ভোটার আছে। অর্থাৎ প্রায় এক লাখের মতো ভোটার রয়েছে। আওয়ামী লীগ এই ভোটারদের বেশির ভাগ ভোট পাবে বলে বিশ্বাস করে।

বিভিন্ন ইসলামী দল ও সংগঠন এবং জাতীয় পার্টি (জাপা), জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) এর কিছু ভোট রয়েছে। এই সংখ্যা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজারের মতো। এর মধ্যে হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর বাইরে জামায়াতে ইসলামের কিছু ভোট আছে।এটা সংখ্যায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার। এই ভোটগুলো বিএনপির প্রার্থীর পক্ষেই যাবে। আজ জাতীয় পার্টির ভোট আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থীই কমবেশি পাবেন।

গাজীপুরে মোট ভোটারের এক-চতুর্থাংশই শ্রমিক ভোটার। অর্থাৎ প্রায় তিন লাখ ভোটার শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ। এই ভোটারদের দিকেই সবচেয়ে বেশি নজর দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর ও বিএনপির প্রার্থী হাসান সরকার।সে কথা স্বীকারও করলেন দুই প্রার্থী ও তাঁদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যরা।ইতিমধ্যে ঈদ করে গাজীপুরে ফিরেছেন বেশির ভাগ শ্রমিক। ২৪ তারিখের মধ্যে সব কারখানা খুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বেশির ভাগ শ্রমিকই ভোটের দিন এলাকাতেই থাকবেন। অবশ্য নির্বাচন কমিশন সূত্র ও নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত দুই দলের নেতারা বলছেন, শ্রমিকের স্থান পরিবর্তন করেন। এ কারণে ভোটার তালিকায় নাম থাকা সব শ্রমিক এখন ওই এলাকায় নেই। স্থান পরিবর্তন করে অন্য জায়গায় চলে গেছেন। তা ছাড়া জেলার ছয় হাজার কারখানার মধ্যে গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে প্রায় দুই হাজার কারখানা রয়েছে। ফলে ভোটার তালিকায় নাম থাকা অনেক শ্রমিক কারাখানা পরিবর্তনও করেছেন।৪০ থেকে ৪৫ হাজার শ্রমিক ভোটার এখন এলাকায় নেই।শনিবার কথা হয় বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে।প্রকাশ্যে ভোটাররা ভোট দেওয়ার ‘তাত্ত্বিক’ কারণই বলছেন। কাকে ভোট দেবেন জানতে চাইলে তাঁদের উত্তর, যিনি ভালো কাজ করবেন, তাঁদের পাশে থাকবেন, মানুষ ভালো, সৎ, যাঁর কাছে যাওয়া যাবে এবং এলাকার উন্নয়ন হবেÑএমন লোককে তাঁরা ভোট দেবেন। সত্তরোর্ধ্ব মোস্তফা নামের পুবাইল বাজারের এক চায়ের দোকানদারের কাছে জিজ্ঞাসা ছিল, জীবনে যত ভোট দিয়েছেন, এমন লোক কি একবারও পেয়েছেন? উত্তরে বললেন, সেভাবে পাননি। তাহলে প্রতিবারই কি ভোট দেন? ‘হ্যাঁ দিই।’ কেন দেন? কিছুটা ভেবে বললেন, ‘ভোট তো দিতেই হবে। তাই দিই।

গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান বলেন, আওয়ামী লীগের সরকার দেশে যে উন্নয়ন করেছে, বিগত কোনও সরকার তা করতে পারেনি। মহানগরের উন্নয়নের জন্য মানুষ আওয়ামী লীগের প্রার্থীকেই ভোট দেবে। আওয়ামী লীগের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়েছে সবচেয়ে বেশি। ঢাকার পরে চট্টগ্রামে উড়ালসেতু হয়েছে, রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন রুটের সড়ক প্রশস্ত হয়েছে। বিধবা ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানি, উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ সরকারের অবদান মানুষ ভুলে যায়নি। বিনামূল্যে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তেমনি গাজীপুরের মানুষও এর সুফল ভোগ করছে এবং তা শেখ হাসিনার সরকারের অবদান। গাজীপুর মহানগরবাসী বুঝেছে অবকাঠামো, শিক্ষা, সংষ্কৃতি প্রভৃতি উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের বিকল্প নেই। এ কারণেই মানুষ আওয়ামী লীগের নৌকায় ভোট দেবে।

গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামিল হাসান দুর্জয় বলেন, গাজীপুর-ময়মনসিংহ এবং গাজীপুর-টাঙ্গাইল সড়কে চার লেন এবং তিনটি উড়ালসেতু দৃশ্যমান, এরকম অনেক কাজ আওয়ামী লীগ সরকারের করা। যে সরকার এমন বড় কাজ করতে পারে, সে সরকারের জন্য ছোট কাজ করা তো আরও সহজ। অথচ মহানগরের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়ঃনিষ্কাশন, পানি নিষ্কাশনসহ নানা অনুন্নয়নের কথা বলছেন নগরবাসী। এ কাজগুলোর দায়িত্ব মহানগর মেয়রের, এর দায়ভারও তার। তিনি বা তার লোকজন সরকারের ওপর দায় চাপিয়ে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। আজকাল মানুষ নিজেদের অধিকারের ব্যাপারে খুবই সচেতন।তিনি আরও বলেন, আবেগী কথায় মানুষ আজ বিশ্বাস করে না।স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে মানুষ পরিবর্তনে বিশ্বাসী। গত পাঁচ বছরে তারুণ্যের পরীক্ষায় বিএনপির মেয়র উত্তীর্ণ হতে পারেননি।ইতোমধ্যে সড়ক নিরাপত্তা, শিক্ষাসহ সামাজিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে জাহাঙ্গীর আলম তারুণ্যের মন জয় করেছেন। গাজীপুরবাসী তাকে সুযোগ দিলে মহানগরের চিত্র পরিবর্তন হয়ে যাবে। সব কিছু বিবেচনা করে মানুষ আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকট জাহাঙ্গীর আলমকেই ভোট দেবে।মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আতাউল্লাহ মন্ডল বলেন, সরকারদলীয় একজন ব্যক্তি যেভাবে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করতে পারবেন, অন্য দলের ব্যক্তিরা সেভাবে পারবেন না।আর মহানগরের উন্নয়ন করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং লবিংয়ের কোনও বিকল্প নাই। এ কাজটি আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের মাধ্যমেই সম্ভব। ভোটাররা এ বিষয়টি বুঝে গেছেন, তাই আওয়ামী লীগের প্রার্থীই হবে ভোটারদের পছন্দের প্রার্থী।আরেকজন যুগ্ম সম্পাদক এস এম মোকসেদ আলম বলেন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম সরকারি দলের মনোনীত প্রার্থী। এই কারণে মহানগরের নাগরিকদের জন্য বেশি বেশি কাজ করতে পারবেন। উন্নয়নের জন্য নানা ধরণের প্রকল্প আনতে পারবেন, অর্থ বরাদ্দ আনতে পারবেন। নাগরিকদের প্রয়োজন উন্নয়ন। শুধু শুধু মেয়র নির্বাচন করা ভোটারদের উদ্দেশ্য নয়। বিগত দিনে সরকারবিরোধী একজনকে মেয়র নির্বাচিত করে গাজীপুরবাসী দেখেছে কী হয়েছে গাজীপুরে।গত মেয়াদে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং এখনও আছেন জানিয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল বলেন, সরকার খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের কথা তো বাদই দিলাম।কেন গাজীপুর মহানগরে আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি তা মানুষ ভালো করেই জানেন। বিএনপির প্রতি সরকারের নির্যাতনের ফলে মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের সহমর্মিতা, ভালোবাসা আর সহানুভূতি নিয়েই এবার গাজীপুরে মেয়র হবেন বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার।

এদিকে, গত মেয়র নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর বিজয়ের পরও মিথ্যা মামলা দিয়ে কাজ করতে দেওয়া হয়নি দাবি করে সরকারকে দোষারোপ করেছেন দলের নেতারা। গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন বলেন, গত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এক লাখেরও বেশি ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সেই জনপ্রিয় মেয়রকে মাত্র ৬ মাসের মাথায় অনেকগুলো মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে উন্নয়নমূলক কোনও কাজই করতে দেওয়া হয়নি। এটি নগরবাসী দেখেছে। দেশব্যাপী বিএনপি ও ২০ দলীয় জোট নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা, বাড়ি থেকে ধরে এনে সাজানো মামলায় জড়িয়ে দেওয়াসহ নানা হয়রানির খবর দেশবাসীর সঙ্গে গাজীপুর মহানগরবাসীরও অজানা নয়। তিনি বলেন, ‘এসব অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন থেকে মানুষকে বাঁচাতে গাজীপুরের নাগরিকরা এবারও বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে। আর বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গাজীপুরের মেয়র নির্বাচিত হলে এখান থেকেই শুরু হবে অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়নের মূলোৎপাটন।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল আলম বাবুল বলেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে জয়লাভ করে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন শুরু হবে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে। তখন হাসান উদ্দিন সরকারই মহানগরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে। আজ মানুষ তা উপলব্ধি করতে পেরেছে। এ কারণে মহানগরের ভোটারেরা এখন হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে।স্থানীয় সরকারের উন্নয়ন কাজ কীভাবে হয় গাজীপুর মহানগরবাসী তা জানেন বলে দাবি করে গাজীপুর জেলা বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, মহানগরের নিজস্ব তহবিল ছাড়াও দেশীয় ও বহির্বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থার আর্থিক সহায়তা আদায়ে কেন্দ্রীয় সরকারে প্রয়োজন হয় না। কেন্দ্রীয় সরকার ছাড়াও স্থানীয় সরকার উন্নয়ন সম্ভব। বিগত বিএনপির মেয়রকে মামলা দিয়ে হয়রানি না করলে গাজীপুর মহানগরের অনেক উন্নয়ন হতো।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে গাজীপুর ও টঙ্গি পৌরসভার ৩২৯ দশমিক ৫৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গাজীপুর মহানগরের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ এবং নারী ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১ জন।আগামী ২৬ জুন এই মহানগরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।