রাশিয়াকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে উরুগুয়ের গ্রুপ পর্বের সমাপ্তি

উরুগুয়ের কাছে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিক রাশিয়া। এই জয়ে নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ড শেষ করলো উরুগুয়ে। গ্রপের রানার্স আপ হয়ে শেষ ষোলোয় পা রাখল ইগর স্মলনিকভরা।

আজ সোমবার মস্কোর সামারা অ্যারেনা স্টেডিয়ামে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে খেলতে নামে স্বাগতিক রাশিয়া ও উরুগুয়ে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেন সুয়ারেজরা। শুরুতেই সুযোগ পেয়ে রাশিয়ার ডি-বক্সে আঘাত হানেন কাভানি-সুয়ারেজরা। তবে সুযোগ পেলেও সেখান থেকে গোল আদায়ে ব্যর্থ হতে হন তারা।

খেলার ১০ মিনিটে গোলের দেখা পান লুইস সুয়ারেজ। ম্যাচের নবম মিনিটে রাশিয়া নিজেদের ডি বক্সে ফেলে দেন উরুগুয়ের রদ্রিগো বানটাকুরকে। রেফারি ফ্রি-কিকের বাঁশি বাজিয়ে হলুদ কার্ড দেন দেন জাগিনস্কিকে। দারুণ এক ফ্রি কিক থেকে গোল করেন বার্সা তারকা।

২১ মিনিটের সময় আবারও এগিয়ে যায় লাতিন আমেরিকার দেশটি। দিয়েগো ল্যাক্সাল্টের একটি শট রাশিয়ান খেলোয়াড়দের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন হয়ে রাশিয়ান গোলকিপারকে ভেলকি খাইয়ে দেয়।

দুই গোল হজম করে গোল পরিশোধে ব্যস্ত হয় রুশরা। উরুগুয়ের বক্সে বার বার বল নিয়ে হামলা করলে সুয়ারেজরাও তাদের বাঁধা দিতে থাকেন। রাশিয়াকে ঠেকাতে আরও আক্রমণাত্মক ভাবে খেলতে থাকে উরুগুয়ে। ৩৬ মিনিটে সময় উরুগুয়ের একটি অ্যাটাক ডিফেন্স করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেন রুশ খেলোয়াড় ইগর স্মলনিকভ। চলতি টুর্নামেন্টে এটি তার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। দুটি হলুদ কার্ডের কারণে মাঠ থেকে বের হয়ে যেতে হয় স্মলনিকভকে। পরে ১০ জনের দল নিয়ে খেলতে থাকে রাশিয়া। এভাবেই বিরতীতে যায় দুদল।

দ্বিতীয়ার্ধে রাশিয়া-উরুগুয়ের আক্রমণ বেড়ে যায় বহুগুণে। দুদলই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। এর মধ্যে খেলার ৮৩ মিনিটে সুযোগ পান কাভানিরা। কর্নার থেকে গোল দেওয়ার সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি উরুগুয়ে।

এক মিনিট বাদেই সুযোগ পায় রাশিয়া। এক সঙ্গে তিন জনকে কাটিয়ে এগিয়ে গেলেও লুইসদের জালে বল জড়াতে পারেননি রাশিয়ার আর্তেম ডিজুবা।

খেলার ৯০ মিনিটে গোল করেন কাভানি। রাশিয়ার ট্যাকলে কর্নার পায় উরুগুয়ে। কর্ণার করার পর উড়ে আসা বলটিকে হেড করেন দিয়াগো গোডিন। গোল রক্ষক হেড ঠেকিয়ে দিলেও পরের শটে গোল করেন কাভানি। শেষ পর্যন্ত চ্যম্পিয়ন হয়েই গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ করে উরুগুয়ে।