অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যানের ৬ বছরের কারাদণ্ড

মিথ্যা তথ্য দেওয়া এবং অবৈধভাবে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানাকে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পৃথক দুটি ধারায় তাকে এই দণ্ড দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার, (১২ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদলত -৭ এর বিচারক শহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে বিচারক বলেন, ‘১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেছেন আদালত।’ সংশ্লিষ্ট আদালতের কর্মকর্তা হাবিবুল হাছান জীবন এসব তথ্য জানান।

‘দুর্নীতি দমন আইন-২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় তিন বছর ও ২৭ (১) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদলত। দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘রায় ঘোষণাকালে আসামি আদালতে হাজির না থাকায় (পলাতক) তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছেন।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৪ মে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদুক) আসামি সাবিরা সুলতানা তার সম্পদ বিবরণীতে ৫৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার হিসাব দেখিয়ে জমা দেন দুদকে। পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা যায় ৪৫ লাখ টাকার সম্পদের বিষয়ে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়াসহ ১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকার সম্পত্তি অসাধুভাবে অর্জন করেছেন তিনি। যা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ।

ওই ঘটনায় ২০১০ সালের ২০ জুলাই দুদকের সহকারি পরিচালক সৈয়দ আহমেদ বাদি হয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে ওই বছর ২৫ জুলাই ৯ জনকে সাক্ষী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর এই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।