বৈশাখী টেলিভিশন ও দৈনিক সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান স্বপনের (৬৫) উপর সন্ত্রাসী প্রতিবাদে ও জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীতে রোববার বেলা ১১ টায় পাবনা শহরের প্রধান সড়কে প্রেসক্লাবের সামনে পাবনায় কর্মরত সকল সাংবাদিক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। পাবনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে ও কর্মরত সকল সাংবাদি দের অংশ গ্রহনে এক ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রফেসর শিবজিত নাগ, সাবেক সভাপতি বীরমুক্তি যোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবি, পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি কামাল সিদ্দিকী, অর্থ সম্পাদক ড. নরেশ চন্দ্র মধু, সাবেক সম্পাদক এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক আহমেদ উল হক রানা, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা, জনকেন্ঠর কৃষ্ণ ভৌমিক, প্রেসক্লাব সদস্য আব্দুল হামিদ খান, রিপোটার্স ইউনিটির সাধারন সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, সময় টিভি ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের ষ্টাফ রিপোর্টার সৈকত আফরোজ আসাদ, ৭১ টিভির মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল, এটিএন নিউজের রিজভী জয়, দৈনিক সিনসা সম্পাদক এসএম মাহবুবুল আলম, দৈনিক পাবনা খবর সম্পাদক এমজি বিপ্লব চৌধুরী প্রমুখ। বক্তারা একের পর এক পাবনার সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, পাবনার সাংবাদিকরা সততা ও সাহসের সাথে কাজ করছেন। কিন্তু একটি গোষ্ঠী একের পর এক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছেন। বক্তারা অবিলম্বে সাংবাদিক স্বপনের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আনার দাবি জানান। তা না হলে কঠোর কর্মসূচী দেয়ার হুশিয়ারি দেন সাংবাদিক নেতারা।

উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রেসক্লাব থেকে রিকশাযোগে শহরের কফিল উদ্দিন পাড়ায় ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান স্বপন। পথিমধ্যে দিলালপুরস্থ সেবা হাসপাতালের সামনে পৌঁছামাত্র হেলমেট পরিহিত তিনজন আরোহী একটি মোটরসাইকেলে তার রিকশার গতিরোধ করে এবং তাকে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে পালিয়ে যায়। এতে তার মাথায় মারাতœক ভাবে জখম হয় এবং বাম হাত ভেঙ্গে গেছে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পাবনায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে ছুটে যান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস সহ পুলিশের কর্মকর্তা ও র‌্যাব ১২ র’ একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন এবং তারা হাসপাতালে আহত সাংবাদিকের খোঁজ নেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, কারা, কি কারণে সাংবাদিক স্বপনের উপর হামলা করেছে তাৎক্ষনিকভাবে জানা যায়নি। তবে হামলাকারীদের ধরতে কাজ করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।