সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি কোন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মিটিংয়ে জামায়াতের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন, তা জাতির সামনে তুলে ধরতে তাকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সোমবার (২২ অক্টোবর) ব্যারিস্টার মইনুলের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এসএম জুলফিকার আলী জুনু রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মাসুদা ভাট্টিকে এ নোটিশ পাঠান। পাশাপাশি নোটিশের জবাব না পাওয়া গেলে মাসুদা ভাট্টির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে ডিএমপির পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এছাড়াও ওই উকিল নোটিশে মাসুদা ভাট্টিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চ্যানেল ৭১-এর একটি টকশোতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মিটিংয়ে জামায়াতের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন বলে মন্তব্য করেন মাসুদা ভাট্টি। তিনি কোন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এ কথা বলেছেন তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতির সামনে তুলে ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি। অন্যথায় ব্যারিস্টার মইনুলের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আর তা না করা হলে উপযুক্ত আইনের মাধ্যমে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও শাস্তি চেয়ে মানহানির (মাসুদা ভাট্টির বিরুদ্ধে) মামলা করা হবে।নোটিশে আরও বলা হয়েছে, মাসুদা ভাট্টি তার মন্তব্যের মাধ্যমে মইনুল হোসেনের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করেছেন, যা ফৌজদারি আইনে শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

নোটিশে বলা হয়, মাসুদা ভাট্টির কর্মকাণ্ড আমলযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এবং এই আইনি নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপযুক্ত জবাব না দিলে তাকে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের সংশ্লিষ্ট ধারার অধীনে সাত দিনের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে ডিএমপির পুলিশ কমিশনার বরাবর আবেদন জানানো হয়েছে।