যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কবির হোসেন পলাশ হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার রায়ে নয়জনকে যাবজ্জীবন সম্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনার আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। মঙ্গলবার খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- যশোর শহরের ষষ্ঠিতলা পাড়ার তরিকুল ইসলাম, চাঁচড়া রায়পাড়ার প্রিন্স ওরফে বিহারী প্রিন্স, গাড়িখানা রোডের জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, ঘোপ বৌবাজার এলাকার রবিউল শেখ, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের সজল, টুটুল গাজী, বেজপাড়ার টিবি ক্লিনিক এলাকার ফয়সাল গাজী, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল ও বাঘারপাড়া উপজেলার বহরমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শহিদুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রিন্স ওরফে বিহারী প্রিন্স, জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, রবিউল শেখ, শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল ও শহিদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। অন্যরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।মামলার নথির বরাত দিয়ে আইনজীবী এনামুল জানান, ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শহরের ঈদগাহ মোড় এলাকায় অবস্থান করছিলেন ছাত্রদল নেতা পলাশ। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে পলাশকে গুলি ও বোমা মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে পলাশকে উদ্ধার করে যশোর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ১৩ ডিসেম্বর নিহত পলাশের বোন ফারহানা ইয়াসিমন ১১ জনের নাম উল্লেখ করে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।চলতি বছরের ১৬ মে খুলনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরণ মামলার চার্জ গঠন করা হয়। ওই দিন ২১ মে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত। তারপর থেকেই সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন আদালত।