ফরিদপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের হামলায় ইউসুফ আল-মামুন (৪০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এসময় লালন ফকির (৫৬) নামে অপর একজন আহত হয়েছেন।  আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গি চৌরাস্তার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইউসুফ নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। আহত লালন ফকির ওই ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।  আহত লালন ফকিরের ভাই আফসার ফকির জানান, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই মোড় এলাকায় একটি চায়ের দোকানে আড্ডার সময় মজিদ নামে এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কটূক্তি করেন। এর প্রতিবাদ জানান ইউসুফ আল-মামুন। এক পর্যায়ে দু’জনের মধ্যে বিতর্কেও ঘটনা ঘটে। এসময় আরও লোকজন এসে ইউসুফকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

তিনি আরো বলেন, খবর পেয়ে আমার বড়ভাই সাত নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লালন ফকির ছুটে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউসুফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত লালন ফকিরকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে নর্থ চ্যানেল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জমিরউদ্দিন জানান, আমি এলাকায় ছিলাম না। তবে শুনেছি চায়ের দোকানে বসে আড্ডার এক পর্যায়ে মজিদ ও ইউসুফের মধ্যে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নিয়ে বিতর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. লোকমান হোসেন বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে।