প্রবল ঘূর্ণিঝড় পিথাই পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল নাগাদ কাকিনাদার কাছ দিয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।এদিকে, ঘূর্ণিঘড়ের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।ঢাকায় রোববার (১৬ ডিসেম্বর)থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।সোমবারসামান্য বেড়েছে বৃষ্টি।বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমে শীতের তীব্রতা বেড়েছে।বৃষ্টিপাতের এই অবস্থার দুই-একদিনের মধ্যে উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সাগর এখন উত্তাল। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বা গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।এই ঝড়ের প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিনদিন হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায়। এই বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমেছে। শীতের তীব্রতাও বেড়েছে।তবে ঝড়টি বাংলাদেশে না এসে ভারতের উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা বেশি।ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১২৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরগুলোকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।