ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশলি)রমিজ উদ্দীন সরকারের শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।কেবল ঢাকাতেই তার পাঁচটি বাড়ি রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী, গাজীপুর ও কুমিল্লায় রয়েছে কয়েক একর জমি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে এ তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অঢেল সম্পদ ও অর্থ পাচারের তথ্য পেয়ে রমিজ উদ্দিনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দিয়েছে দুদক। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ডিপিডিসির নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল) রমিজ উদ্দিন সরকার সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করে দেশের বাইরে অর্থ পাচার করেছেন। এই কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী সালমা পারভীনের নামে ঢাকাসহ দেশে বিদেশে অবৈধ সম্পদ রয়েছে। উত্তরার ৫নং সেক্টরের ২নং রোডে ৭ তলা বিশিষ্ট ১৩ নম্বর বাড়ি। মিরপুরের পূর্ব মনিপুরে ৬ তলা বিশিষ্ট বাড়ি নম্বর ১৩০৭/ডি। মিরপুরের ২৮ মল্লিকা মিল্ক রোডে ৪ তলা ফ্ল্যাট। মহানগর রামপুরা হাউজিংয়ের ৮ নম্বর রোডে ২০২ নম্বর বাড়ি।

এছাড়াও, ব্লক-ডিতে ৪.৫ কাঠা জমির উপর ৫টি দোকান নির্মাণ ও টিনসেড বাড়ি, পূর্ব রামপুরা ১৭৭/৫/১ এলাকায় ৯.৪৮ শতাংশ জমি ও এর ওপর বাড়ি, টঙ্গী ও গাজীপুরে নামে বেনামে ৩০ একর জমি, কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে রয়েছে একরে একরে জমি ও মুরাদনগরে স্ত্রী সালমা পারভীনের নামে ৫০ বিঘা জমি ক্রয় এবং শেয়ার মার্কেটে বিশাল অংকের বিনিয়োগ ছাড়াও নামে বেনামে বিপুল পরিমাণে সম্পদ রয়েছে।

এছাড়াও, গাজীপুরে জায়গা বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে সেই টাকা দেশের বাইরে পাঠিয়ে পুনরায় বাংলাদেশে আনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। আর এই অভিযোগের অনুসন্ধানী কর্মকর্তা হিসেবে আছেন সংস্থার উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুর রহমান।