জাতীয় হজ ও ওমরা নীতি-২০১৯ ঘোষণা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আবদুল্লাহ আরিফ মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এ নীতিমালাটি আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

মোট সাতটি অধ্যায়ের ২৩ পৃষ্ঠার এই নীতিমালায় ভূমিকা ও উদ্দেশ্য; হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন, কর্মপরিকল্পনা এবং হজ প্যাকেজ ঘোষণা; প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন; হজবিষয়ক পরিকল্পনা, হজ প্যাকেজ ঘোষণা ও হজে গমনের যোগ্যতা; হজ-সংক্রান্ত চুক্তি ও হজ ব্যবস্থাপনা : বাংলাদেশ পর্ব; ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালযয়ের করণীয়; হজ অফিস ঢাকার করণীয়; হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব, হজ এজেন্সির বাড়ি পরিদর্শন ও হজকর্মী নিয়োগ; বেসরকারি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাড়ি ভাড়া; সৌদি আরবে হজ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা প্রদানের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দল প্রেরণ; হজ প্রতিনিধি দল, হজ প্রশাসনিক দল, সমন্বিত হজ চিকিৎসক দল ও হজ গাইড নির্বাচন; রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালন; মৌসুমি হজ অফিসার নিয়োগ; কারিগরি দল, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন, পররাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় ভূমিকা; স্বরাষ্ট্র, গণপূর্ত, তথ্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা; বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের ভূমিকা; জেলা প্রশাসকের ভূমিকা; ইসলামি ফাউন্ডেশনের; আপদকালীন ফান্ড, হজযাত্রীদের অব্যয়িত অর্থ ফেরত প্রদান, ওমরাহ এজেন্সি সংক্রান্ত বিষয়াবলি; ওমরাহ এজেন্সির নীতি, দায়-দায়িত্ব; হজ ও ওমরাহ এজেন্সি নিয়োগ, পরিদর্শন ও নবায়ন; নিয়োগের শর্তাবলী, নিয়োগ প্রক্রিয়া, পরিদর্শন, নবায়ন, হজ ও ওমরাহ এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্ত, শাস্তি ও রিভিউ; তদন্ত/ শাস্তির কারণসমূহ; জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও পর্যালোচনা ইত্যাদি বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

হজ নীতিমালায় বলা হয়, হজ-সংক্রান্ত সার্বিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন ও পরিবহনের লক্ষ্যে দুটি কমিটি থাকবে। জাতীয় কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং যুগ্ম সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।জাতীয় হজ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাহী কমিটিতে ধর্মমন্ত্রী সভাপতি ও যুগ্ম সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ কমিটি বছরে অন্তত দুইবার বৈঠকে মিলিত হবে।