ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে ভর্তি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষকে চাকরিচ্যুত করার দাবি জানিয়েছে অভিভাবক ফোরাম।

প্রতিষ্ঠানটির তিন শাখায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে ভর্তি করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা এ দাবি জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৮ শিক্ষাবর্ষে মতিঝিল, বনশ্রী ও মুগদা শাখায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র ঘষামাজা করে নম্বর বাড়িয়ে দিয়ে ভর্তি করার অভিযোগ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমকে চাকরিচ্যুত করতে হবে।

তিনি কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এটা জঘন্য অপরাধ। এ জন্য প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে অধ্যক্ষ শাহান আরার বিরুদ্ধে ফৌজধারি কার্যবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় সরকার কর্তৃক মামলা দায়ের করে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।

অভিভাবকরা বলেন, শুধুমাত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক এমপিও এবং বেতনভাতা স্থগিত করলে চলবে না। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অভিযোগে এই অধ্যক্ষের একাধিকবার বেতনভাতা স্থগিত করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে অবৈধ লেনদেনে তা পুনরায় চালু করা হয়েছে। তাকে ফৌজদারি আইনের আওতায় আনতে হবে।তারা আরও বলেন, শুধু ২০১৮ শিক্ষাবর্ষেই নয়; ২০১৭ শিক্ষাবর্ষেও দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে অনুরূপভাবে ভর্তি করানো হয়েছে এবং ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ শাহানা আরা দেড়শত শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে ভর্তি করিয়েছেন, যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে ।