বান্দরবান সদর উপজেলা আবার আ.লীগের সমর্থককে অপহরণের ঘটনার ঘটেছে। বুধবার ২২ মে রাতেই ওজি মূখ পাড়া চথোয়াই মং (৫০) মারমা কে সন্ত্রাসীরা অপরহণ করে নিয়ে গেছে তারঁ পরিবার পক্ষে অভিযোগ করেছে।

সে বান্দরবান পৌর সভায় ৫ নং ওর্য়াডের সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও পৌর আ,লীগৈর সহ সভাপতি পদে রয়েছে। তবে কে বা কারা তাকে অপহরণ করা হয়েছে সে বিষয় এখনো প্রশাসন পক্ষে জানানো হয়নি। এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাতে জেলা আ.লীগের প্রতিবাদ ও অপহৃত চথোয়াইমং মারমা উদ্ধার দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে দলীয় নেতা কর্মীরা। ৮ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অংসাহ্লা মারমা বলেন বুধবার রাত ৮ টার দিকে তাঁর খামার থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে বুধবার রাতেই কুহালং ইউনিয়ন ওজি মূখ পাড়া তারঁ বাগান থেকে অপহরণ করা হয় তাকে।গত ১৯ মে রাতেই আ.লীগের নেতা ছোট ভাই ক্যচিংথোয়াই মারমা (২৭) অপহরণের পর গুলি করে হত্যা করেছে সস্ত্রাসীরা। পুলিশ সূত্র বলেছেন চথোয়াই মং মারমা অপহরণ পর সে এলাকায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান চলছে ।

কয়েক মাস আগে একই এলাকার জনসংহতি সমিতির এক সমর্থক ও এক কর্মীকে গুরি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এই এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে আতস্ক না কাটতে আবার ক্যচিংথোয়াই মারমা গুলি করে হত্যা করা হয়।

ক্যচিংথোয়াই পরিবার সূত্রে জানা গেছে শনিবার (১৮মে) রাজবিলায় দিবাগত রাত ২ টার দিকে একদল সন্ত্রাসীরা ও সশস্ত্র বাহিনীর দল ক্যচিংথোয়াই কে তার নিজ বাসা থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। রোরবার (১৯ মে) তার বাড়ি থেকে প্রায় এক কি:মি: দুুরে রাবার বাগান এলাকায় স্থানীয়রা তার লাশ দেখতে পায়। তার বুকে ও পিঠে গুলির দাগ রয়েছে।রাজ বিলায় ইউপি চেয়ারম্যান ক্যঅংপ্রু মারমা বলেন নিহত ক্যচিং থোয়াই সরকার দলীয় সমর্থক সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

বান্দরবান সদর থানায় তদন্ত কর্মকর্তা এনামূল হক ভূয়া সত্যতা স্বীকার করে বলেন বুধবার রাতে সাবেক পৌর কাউন্সিলর চথোয়াই মং মারমা কে সন্ত্রাসীরা অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

৭ মে সন্ত্রাসীরা জনসংহতি সমিতির সদস্য বিনয় তংচঙ্গ্যাকে গুলি করে হত্যা করে। তার সাথে অপরহণ করা হয় ফোলাধন তংচঙ্গ্যা নামের এক কর্মীকে। এখনো তার কোনো খোজ পাওয়া যায়নি। রাজ বিলায় ও কুহালং ইউনিয়নের সাধারণ লোকজন আতস্ক ও ভয়ের বান্দরবান শহরে অবস্থান করেছে স্বীকার করেছেন রাজবিলাই ইউপি চেয়ারম্যান ক্যপ্র“ অং মারমা।