রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের একজন সংগঠককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় বাড্ডার পোস্ট অফিস এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩ এর একটি আভিযানিক দল। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির নাম নূর আলম ওরফে আলম (৩৩)। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব-৩ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিকেলে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, র‌্যাব-৩ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ও নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের একটি অপারেশনাল সেল গোপনে সংগঠিত হচ্ছে। বাড্ডা থানার আলম নামে একজন ব্যক্তি আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক হিসেবে গোপনে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ ১১ জুন অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার কর হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর আলম জানায় যে, সে ২০০৮ সাল থেকে বাড্ডা কেন্দ্রিক “জামায়েতুল মুসলিমীন’’ নামে একটি উগ্র মনোভাবাপন্ন সংগঠনের সমর্থক ছিল। পরবর্তীতে ২০১০ সালে সে জসীমুদ্দীন রাহমানির অনুসারী হিসেবে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমে যোগদান করে। ২০১৩ সালে জসীমুদ্দীন রাহমানি গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই আলম গোপনে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

আলমের দেয়া তথ্য মতে র‍্যাব জানায়, আনসার আল ইসলাম (আনসারুল্লাহ বাংলা টিম) সংগঠনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য সংগঠনের সদস্যদেরকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টিমে ভাগ করে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আলম। রাজধানীর বাড্ডা কেন্দ্রিক আনসার আল ইসলামের গোপন টিমের সক্রিয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্বরত ছিল। সে আনসার আল ইসলামের রিক্রুটার, মোটিভেটর, মাসিক চাঁদা প্রদানকারী ও অন্যতম সংগঠক হিসেবে দায়িত্বরত ছিল। গ্রেপ্তার আলমের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলার সে একজন পলাতক আসামি ছিল বলেও জানিয়েছে র‍্যাব-৩।