শিক্ষিত মানুষ অধিকতর কম কথা বলে, আর মুর্খরা সেটাকে ভাবে দুর্বলতা।
শিক্ষিত বলতে আমি কাগজে কলমে সার্টিফিকেট প্রাপ্তদের বুঝাচ্ছিনা, যাদের পারিবারিক,, সামাজিক,, মানুষিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক মুল্যেবোধ রয়েছে প্রকৃতপক্ষে তারাই শিক্ষিত।

বর্তমান সমাজে শিক্ষিত শব্দ টি নারীর জন্য অভিশাপ সরুপ। নারীরা শিক্ষিত হলে জাগ্রতচিত্ত নয়, তাদের হতে হবে বিনয়ী,, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা নারীর কর্ম নয়।

সংসারে নারীদের অনেকরুপ,,কখনও সে মা,,কখনও সে বোন,,কখনও সে বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন,,কিন্তু সে যে রুপক হোক না কেনো, পুরুষশাসিত সভ্যজগৎ এ সে কেবলি নারী।

নারীর ধর্ম শুধুমাত্র অন্যর অধীনত আজীবন নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেয়া।।
যদিও বর্তমানে নারীরা স্বাধীনচেতা মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলছে,,কিন্তু সেই স্বাধীনতাকে বিকৃতরূপ দিচ্ছে কিছু সমাজপতিদের দল।

মানুষ একবার মরে,,আর নারী তার জীবনের প্রত্যেকটা সফলতার আগে বড় স্বাদ করে মরে,,সফলতার পরে হয় তার পুনরুত্থান।।

সফলতাই শেষ কথা নয়,, সফলতা তার মুক্তিপণ ও নয়,,সফলতা তার আত্মমর্যাদার চাবিকাঠি,, কারন এই সফলতাই তাকে চিনিয়ে দেয় মানুষরূপী অমানুষ গুলোকে,,যারা নারীর গর্ভে জন্ম নিয়েও নিজের পৌরষবোধ জাগ্রত করতে নারীকে অসম্মান করে।