মাত্র ৪০ দিনে পুরো কোরআন শরীফ মুখস্থ করে বিস্ময়কর এক ঘটনার জন্ম দিয়েছে বগুড়ার ৯ বছর বয়সী এক শিশু। যা করতে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মুখস্থ করতে হয়েছে তাকে। খুব সাধারণ পরিবারের মেধাবী এই শিশুটিকে দেখতে দূর-দুরান্ত থেকে আসছেন উৎসুক মানুষ। আলেম-ওলামাদের মতে, কেবল মহান আল্লাহ তাআলার বিশেষ রহমেই সম্ভব হয়েছে এটি।

মুহাম্মদ সাদিক নূর আলম। বগুড়া সদরের বড় কুমিড়া গ্রামের আতাউর রহমান ও আঁখি বেগমের দ্বিতীয় সন্তান। ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়লেও, বাবার ইচ্ছে অনুযায়ী সে ভর্তি হয় শহরের গোদারপাড়া মাদ্রাসাতুল ঊলুমিশ শারইয়্যাহতে। পবিত্র কোরআন পাঠের শুরুর দিকে কঠিন মনে হলেও একসময় সে আবিষ্কার করে খুব সহজ ও সাবলীল এই গ্রন্থ। নিজের আত্মতৃপ্তি থেকে সে নিয়মিত পাঠের মাধ্যমেই গড়ে তোলে এই বিরল দৃষ্টান্ত। শিশুকাল থেকেই ধর্মীয় অনুশাসনে বেড়ে ওঠা সাদিক স্কুল কিংবা মাদ্রাসায় শুরু থেকেই তার মেধার প্রতিফলন ঘটিয়েছে। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশিরা এই প্রতিভাধর শিশুটিকে নিয়ে গর্বিত।

প্রথম দিনেই তিন পারা কোরআন মুখস্থ করে শিক্ষকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে সাদিক। সবমিলিয়ে ৪০ দিনে পুরো কোরআন শরিফ মুখস্থ করে ফেলায় বিস্মিত হয়েছেন তার শিক্ষকরাও। আলেম ওলামারা বলছেন, পৃথিবীর বিস্ময়কর গ্রন্থ পবিত্র কোরআন। মহান আল্লাহ তাআলার বিশেষ কুদরতি রহমতের কারনেই মুহাম্মদ সাদিক ৯ বছর বয়সে মাত্র ৪০ দিনেই কোরআনের হাফেজ হয়েছেন।