মাদক ও অস্ত্র মামলার ১০ দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ঈসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ এই আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিপক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা শাহানাজ পারভীনসহ অন্য আইনজীবী জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন।

অন্যদিকে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ জামিন আবেদনের বিরোধীতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামি চিকিৎসার আবেদন করা হলে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন।

সহকারী সরকারি কৌঁসুলি হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ বলেন, ১০ দিন রিমান্ড শেষ হওয়ার দুই দিন আগেই আজ তাকে আদালতে আনা হয়।

এর আগে গত ১৫ অক্টোবর মাদক ও অস্ত্র মামলায় পাঁচ দিন করে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। একইদিন এ আসামির সহযোগী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সহসভাপতি এনামুল হক আরমানের মাদক মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। ওই রিমান্ড শেষে গত ২১ অক্টোবর ফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে তার।

প্রসঙ্গত, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান চলায় আসামি সম্রাট ঢাকা থেকে কুমিল্লা পালিয়ে যান। গত ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে উভয় আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের কাছে অস্ত্র ও মাদক আছে বলে জানায়। পরে তার রাজধানীর কাকরাইলে ভূঁইয়া ম্যানশন অফিস ও বাসার বেড রুমের বিছানার নিচ থেকে তার দেখানো মতে একটি অবৈধ ৭ দশমিক ৬৫ বোরের বিদেশি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি, ২টি লাঠি এবং রুমের ভেতরে একটি লাগেজ থেকে ১৯ বোতল বিদেশি মদ, ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪ প্যাকেট তাস উদ্ধার হয়। আসামি সম্রাট তিনি অস্ত্রের কোনো লাইসেন্স দেখাতে পারেননি।