চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) আগামী ২৯ মার্চ ভোটের দিন রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ছাড়া একইদিনে (২৯ মার্চ) বগুড়া-১ ও যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচনও অনুষ্ঠিত হবে। আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, ‘রোজা ও এইচএসএসি পরীক্ষার সময় বিবেচনা করে ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।’

এ সময় ভোটগ্রহণের তারিখ পেছানো নিয়েও কথা বলেনন নির্বাচন কমিশনের সচিব। তিনি বলেন, ‘ভোটাররা ঘুম থেকে দেরি করে ওঠার কারণে ভোটগ্ৰহণের সময় এক ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছে।’

এর আগে ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করতে বিকেল ৩টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে চার কমিশনার ও ইসি সচিব বৈঠক বসেন। পরে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।

ইসি সচিব আরও বলেন, ‘মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ২৭ ফেব্রুয়ারি, মনোনয়নপত্র বাছাই ১ মার্চ, আপিল ২ থেকে ৪ মার্চ, প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৮ মার্চ, প্রতীক বরাদ্দ হবে ৯ মার্চ। আর ভোটগ্রহণ হবে ২৯ মার্চ।’

গত ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করে ইসি। এ সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ আগস্ট। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত ১৮ জানয়ারি বগুড়া-১ আসন আর যশোর-৬ আসনটি ২১ জানুয়ারি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। সংবিধান অনুযায়ী, আসন শূন্য হওয়ার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। বগুড়া-১ আসনে ১৬ এপ্রিল আর যশোহর-৬ আসনে ১৯ এপ্রিলের মধ্যে ভোটগ্রহণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ জানুয়ারি বগুড়া-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান এবং ২১ জানুয়ারি যশোর-৬ আসনের এমপি সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক মারা যাওয়ায় আসন দুটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোশনের বর্তমান মেয়র ও কাউন্সিলররা ২০১৫ সালের ৭ মে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আর কিছু দিন পরেই তাদের মেয়াদ শেষ হবে। নির্বাচন বিধির বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করতে হবে।