করোনাভাইরাসে ৮৫ হাজার ৭৪৯ আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে চীনকে ছাড়িয়ে গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মৃত্যুহার ইতালি ও স্পেন থেকে কম। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১ হাজার ৩০৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৮৬৮ জন।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পশ্চিমের যে কয়টি দেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র তার মধ্যে একটি। মৃতের হার অন্যান্য কম হলেও দেশটির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি বাড়বে। ইতালি ও স্পেনের মতো মৃত্যুপুরীতে রূপ নিতে বেশি সময় লাগবে না। গতকাল বৃহস্পতিবারই যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ সংখ্যক ২৮১ জন মানুষ করোনাভাইরাসে মারা গেছে।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, প্রথম পর্যায়ে লাখের বেশি ছাড়িয়ে গিয়েছিল চীনের আক্রান্তের সংখ্যা। সেটি কমে এখন ৮১ হাজার ৩৪০ জনে এসে ঠেকেছে। গত কয়েকদিনে চীনে নতুন করে কোনো আক্রান্তের খবর পাওয়া যায়নি। দেশটিতে মারা গেছে ৩ হাজার ২৯২। সুস্থ হয়েছে ৭৪ হাজার ৫৮৮ জন।

মৃতের হার সবচেয়ে বেশি ইতালিতে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ২১৫ জন মারা গেছে দেশটিতে, আক্রান্ত আছে ৮০ হাজার ৫৮৯ জন। সুস্থ হয়েছে ১০ হাজার ৩৬১ জন।

স্পেনে মৃতের হার বেড়েছে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে মারা গেছে ৪ হাজার ৩৬৫ জন। সুস্থ হয়েছে ৭ হাজার ১৫ জন। আক্রান্ত আছে ৫৭ হাজার ৭৮৬ জন।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মার্কিন সিনেটে দুই লাখ কোটি (দুই ট্রিলিয়ন) ডলারের বিল পাস হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, মহামারিতে চাকরি হারানো কর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই অর্থ ব্যয় করা হবে। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পাস হওয়া হওয়া সবচেয়ে বড় অঙ্কের বিল এটি।