দেশে বিরাজমান করোনা পরিস্থিতিতে সম্প্রচার সাংবাদিক, কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের উপসর্গ দেখা দিলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরীক্ষা করানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকায় এজন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালকে নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

১১ এপ্রিল শনিবার সকালে তথ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সম্প্রচার সাংবাদিকদের সংগঠন ব্রডকাস্ট জার্নালিষ্ট সেন্টার-বিজেসি’র নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি একথা জানান। বিজেসি’র চেয়ারম্যান রেজোয়ান হক ও সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদের নেতৃত্বের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে সম্প্রচার সাংবাদিক ও কর্মীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত, বকেয়াসহ বেতন পরিশোধ ও বীমার আওতায় আনার দাবি জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো সম্প্রচার কর্মী ও সাংবাদিক যদি কোভিড- ১৯ পজিটিভ হন, তার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিতে সরকারের সব ধরনের সহায়তা করবে।

এসময় তিনি গণমাধ্যমকে জরুরি তথ্য সেবা খাত হিসেবে উল্লেখ করে সকল টেলিভিশন মালিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বীমার আওতায় আনার জন্য অনুরোধ জানান। দরকার হলে সরকারি জীবন বীমা কর্পোরেশনের সঙ্গেও কথা বলবেন বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। যে সব প্রতিষ্ঠান এখনো বকেয়াসহ বেতন পরিশোধ করেনি, তাদেরকে দ্রুত বেতন পরিশোধের পরামর্শও দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী । এসময় বিজেসি নেতৃবৃন্দ যেসব প্রতিষ্ঠানে বেতন বকেয়া রয়েছে তার একটি তালিকাও হস্তান্তর করেন মন্ত্রীর কাছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, গুজব ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে শুরু থেকে মূলধারার গণমাধ্যম কাজ করে যাচ্ছে। এই দুর্যোগকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা জনসচেতনতা তৈরিতে যে নিরলস পরিশ্রম করছেন, তার জন্য সকল গণমাধ্যমকর্মীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে সরকার। বিজেসি প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন বিজেসি’র ট্রাস্টি ও জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ট্রাস্টি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সহসভাপতি নজরুল কবীর, নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও নাগরিক টিভির প্রধান প্রতিবেদক শাহনাজ শারমিন।