গাজীপুরের কাপাসিয়ায় সরকারি ১০ টাকা কেজির চাউল বিক্রির সময় ওজনে কম দেওয়ার অপরাধে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর চাউলের ্এক ডিলারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ওই ডিলারের ডিলারশীপ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোসা. ইসমত আরা মঙ্গলবার দুপুরে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর আওতায় হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্য সহায়তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে খাদ্য অধিদপ্তর মাধ্যমে নির্দিষ্ট উপকারভোগীদের জন্য ১০টাকা কেজি দরে চাউল বিক্রি কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলাধীন ত্রিমোহনী এলাকায় জুয়েলকে ডিলার নিয়োগ করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট কার্ডধারীরা ১০ টাকা কেজিতে জনপ্রতি ৩০ কেজি পর্যন্ত করে চাউল ক্রয় করার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু স্থানীয় ওই ডিলার সরকারি নিয়ম না মেনে দরিদ্র মানুষদের অনিয়মের মাধ্যমে ওজনে কারসাজি করে প্রতি ক্রেতাকে ওজনে ৪/৫ কেজি করে কম দিয়ে চাউল বিক্রি করে, কিন্তু তাদের কাছ থেকে ৩০ কেজির দাম আদায় করেন। কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বিষয়টি গোপন সূত্রে জানতে পারেন। তার নেতেৃত্বে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে হাতেনাতে প্রমাণ পান।

কাপাসিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসা. ইসমত আরা জানান, ওজনে কম দেওয়ার অপরাধে আদালত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা-৪৬ মোতাবেক উক্ত ডিলারকে এক লাখ টাকা অর্থদন্ড ও আদায় করেন। এসময় ওই ডিলারের ডিলারশীপ লাইসেন্স বাতিল করা হয়।