সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খান এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান পৃথক চার্টার্ড বিমানে সস্ত্রীক লন্ডন গেছেন। তারা অসুস্থতাজনিত কারণে লন্ডন গেছেন বলে জানা গেছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ থাকায় এই দুই শীর্ষ স্থানীয় ব্যবসায়ী চার্টার্ড বিমানে দেশ ত্যাগ করেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, আজ শুক্রবার দুপুর ১ টা ২৫ মিনিটে সোহেল এফ রহমান ঢাকা ত্যাগ করেন, সঙ্গে তার স্ত্রীও ছিলেন। আর গতকাল বৃহস্পতিবার একই সময়ে স্ত্রী নাসরিন খানসহ লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেন মোরশেদ খান।

মোরশেদ খানের পারিবারিক সূত্র বলছে, পারকিনসন রোগে আক্রান্ত সাবেক এই বিএনপি নেতা। কয়েক মাস আগে তার হার্টে রিং পড়ানো হয়। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়বেটিকসহ জটিল কয়েকটি রোগেও ভুগছেন তিনি। করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ রোধে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় ফলোআপ চিকিৎসার জন্য তিনি দেশের বাইরে যেতে পারেননি। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান। তার ছেলে ফয়সাল মোরশেদ খান সপরিবারে লন্ডন থাকেন।

২০০১ সালে জোট সরকারের আমলে মোরশেদ খান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। গত বছরের ৫ নভেম্বর ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি দল পদত্যাগ করেন। এদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, সোহেল এফ রহমানও অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য তিনি লন্ডন গেছেন। তবে বেক্সিমকোর একটি সূত্র দাবি করছে, সন্তান সম্ভবা মেয়ের পাশে থাকার জন্য তিনি সেখানে গেছেন।

এ বিষয়ে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ উল-আহসান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে পৃথক চার্টার্ড ফ্লাইটে চারজন যাত্রী লন্ডন গেছেন।’ ওই যাত্রীদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তার জানা নেই।